The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাহরাইনের আল-ফাতেহ মসজিদ

এই মসজিদটি বাহরাইনের সবচেয়ে বড় মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ১৭ মে ২০১৯ খৃস্টাব্দ, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১১ রমজান ১৪৪০ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

বাহরাইনের আল-ফাতেহ মসজিদ 1

যে ছবিটি আপনারা দেখছেন সেটি বাহ্‌রাইনের রাজধানী মানামায় অবস্থিত বাহরাইনের অন্যতম মসজিদ আল-ফাতেহ মসজিদ (مسجد الفاتح‎)।

১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে শেখ ইসা ইবন সালমান আল খালিফা এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। বাহরাইন বিজয়ী আহমেদ আল ফাতেহ-এর নামানুসারেই এই মসজিদ-এর নামকরণ করা হয়েছে।

এই মসজিদটি বাহরাইনের সবচেয়ে বড় মসজিদ। মসজিদটির আয়তন ৬৫০০ বর্গ মিটার ও প্রায় ৭০০০ মুসুল্লী একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। এই মসজিদটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো- গুম্বুজগুলো তৈরি করা হয়েছে ফাইবার গ্লাস দিয়ে। এই গ্লাসের ওজন ৬০,০০০ কেজি (বা ৬০ টন)। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফাইবার গ্লাসের গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। এই মসজিদটির মেঝেতে ইটালিয়ান মার্বেল ব্যবহার করা হয়েছে। ভিতরের ঝাড়বাতিগুলো অষ্ট্রিয়ার নির্মিত ঝাড়বাতি। এর দরজাগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে ভারত হতে আমদানীকৃত মূল্যবান সেগুনকাঠ দিয়ে। দেওয়ালে রয়েছে প্রাচীন শৈলীর কুফিক নামক ক্যালিওগ্রাফিতে রচিত কোরান-হাদিসের বিভিন্ন বাণী।

২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদ-এর গ্রন্থাগারকে বাহরাইনের জাতীয় গ্রন্থাগারে রূপ দেওয়া হয়েছে। এই কারণে এই মসজিদটিকে একইও সঙ্গে আহমেদ আল-ফেতাহ ইসালমিক কেন্দ্র হিসাবেও অভিহিত করা হয়। এই মসজিদটির গ্রন্থাগারে গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার। এখানে প্রায় ১০০ বৎসরের পুরানো অনেক মূল্যবান বইপত্র পত্র-পত্রিকা রয়েছে। এই সব বইয়ের ভিতরে রয়েছে— আল কোরানের ঝকঝকে মুদ্রিত অনুলিপি, পুরানো হাদিস সংকলন, বিভিন্ন আরবি বিশ্বকোষ, ইসলামিক আইন সংক্রান্ত বিশ্বকোষ, ১০০ বৎসরের আগের মুদ্রিত আল আজহার নামক পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যাও রয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে এই মসজিদটি নামাজ আদায়ের জন্য ব্যবহৃত হলেও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসাবেও বহু জ্ঞান পিপাসুরা ছুটে আসেন এখানে। এর পাশাপাশি এই মসজিদটির সৌন্দর্য উপভোগের জন্য বহু পর্যটকও ভিড় করেন। এই বিচারে এই মসজিদটি এখন বাইরাইনের পর্যটন শিল্পের অন্যতম আকর্ষণীয় উপকরণ হিসাবেও বিবেচনা করা হয়ে থাকে। প্রতি শুক্রবার এবং জাতীয় ছুটির দিনে পর্যটকদের জন্য এটি বন্ধ থাকে। এছাড়া অন্যান্য দিনে সকাল ৯টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে রাখা হয়।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...