The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

নৌকার পেছনে বিশালাকার তিমি! [ভিডিও]

তিমির ওই লাফিয়ে উঠার অসাধারণ ভিডিওটি তুলেছিলেন ক্যামিংস নামে এক ভিডিও ম্যান

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রশান্ত মহাসাগরের মনটেরি উপসাগরে হামব্যাক প্রজাতির একটি তিমি আচমকা লাফ দিয়ে উপরে উঠে এলো। এর সামান্য পেছনেই রয়েছে মাছ ধরার একটি ছোট্ট নৌকা। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে নৌকাটি।

নৌকার পেছনে বিশালাকার তিমি! [ভিডিও] 1

ওই বিস্ময়কর দৃশ্যটি যে ফটোগ্রাফার ধারণ করেছিলো সেই ফটোগ্রাফার ডগলাস ক্রফ্ট সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, এই ঘটনা ছিল উত্তেজনায় ভরপুর। এটা এমন একটা সময় যা স্যামন মাছ ধরার ঋতুর সঙ্গে মিলে যায় যখন গ্রীষ্মকালীন খাবারের জন্য হামব্যাকগুলো মনটেরি উপসাগরের দিকে ফিরে আসছিল। এই সময় সেখানে শত শত মাছ ধরার নৌকাও ছিল।

তিনি জানিয়েছেন, তিনি বেশ কয়েকটি তিমিকে ঢেউ ভেঙ্গে উপরে লাফিয়ে উঠতে দেখেছেন। তিনি প্রত্যাশা করেছিলেন যে, ওই স্তন্যপায়ী প্রাণীগুলো পূর্ববর্তী আচরণের মতোই কাজ করবে।

ফটোগ্রাফার ডগলাস ক্রফ্ট আরও বলেন, আমি নিচের ডেকে ওয়াটার লাইন বরাবর গিয়েছিলাম যাতে খুব কাছ থেকে ছবি তোলা যায়। আমি একটি আলাদা নৌকায় ছিলাম। আমার সঙ্গে একই নৌকায় ছিলেন ভিডিওগ্রাফার ক্যাট কামিং।

ফটোগ্রাফার ডগলাস ক্রফ্ট বলেন, এই সময় সমুদ্র হতে লাফিয়ে উঠলো প্রকাণ্ড আকারের তিমি। তবে এটা আকারে কতো বড় ছিল তার তথ্য তিনি জানাননি। কেবল বলেছেন ‘এটা ছিল বিশালাকৃতির তিমি’।

তিনি বলেছেন, আমি যদি ওই নৌকার জেলে হতাম তবে ‘আমার হয়তো কয়েকটি আন্ডারওয়্যারের দরকার পড়তো’!

ন্যাশনাল ওশেনিক এণ্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনেষ্ট্রশন নামে একটি সংস্থা জানায়, হামব্যাক প্রজাতির তিমি দৈর্ঘ্যে সাধারণত ৬০ ফুট ও ওজনে ৪০ টন পর্যন্ত হয়ে থাকে।

তিমির ওই লাফিয়ে উঠার অসাধারণ ভিডিওটি তুলেছিলেন ক্যামিংস নামে এক ব্যক্তি। তিনি জানিয়েছেন, ফুটেজটি ধারণ করার পূর্বে তিমিটি কয়েকবার লাফিয়ে উঠেছিল।

সংবাদমাধ্যমকে ভিডিও ম্যান কামিংস আরও জানান, কখনও কখনও তিমিগুলি একাধিকবার লাফিয়ে উঠে তারা একটি নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা মেনে চলে।

তিনি আরও বলেন, আমি হিসেব করেছি, তিমিটা পরেরবারের লাফিয়ে উঠা মূলত জেলে নৌকাটিকে ঘিরেই হবে। কারণ তিমিটি এই পথটিই অনুসরণ করছিলো।

বিশ্ব বন্যপ্রাণী তহবিলের অভিমত, যদিও তিমিকে এখনও বিপন্ন প্রাণী বলে মনে করা হয় তবুও এই প্রজাতির সংখ্যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৮৫ সালে বাণিজ্যিকভাবে তিমি শিকার নিষিদ্ধ হওয়ার পর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিমির সংখ্যাও বেশ বেড়েছে।

এক হিসাবে দেখা যায় যে, বিশ্বের মহাসাগরগুলোতে প্রায় ৬০ হাজার হামব্যাক তিমি রয়েছে। তারা প্রজননের উদ্দেশে কখনও কখনও ৫ হাজার মাইল দূরত্ব পর্যন্ত সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে থাকে।

দেখুন ভিডিওটি

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...