The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

আস্তে আস্তে ডুবে গেলো বিশাল বিমানটি!

১৫ জুন দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় ইদাইর্ন শহরের কাছের সারোস উপসাগরে ডুবিয়ে দেওয়া হয় বিশাল আকারের যাত্রীবাহী বিমান এয়ারবাস এ৩৩০

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ দৃশ্যটি এমন সমুদ্রের পানিতে ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে একটি বিশাল আকারের যাত্রীবাহী বিমান। চারপাশে কাজ করছেন কয়েকজন ক্রু। দূর হতে কৌতুহলি মানুষগুলো তখন ছবি তোলায় ব্যস্ত। ধীরে ধীরে বিশাল বিমানটি এক সময় তলিয়ে গেলো পানির নিচে।

আস্তে আস্তে ডুবে গেলো বিশাল বিমানটি! 1

দৃশ্যটি এমন সমুদ্রের পানিতে ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে একটি বিশাল আকারের যাত্রীবাহী বিমান। চারপাশে কাজ করছেন কয়েকজন ক্রু। দূর হতে কৌতুহলি মানুষগুলো তখন ছবি তোলায় ব্যস্ত। ধীরে ধীরে বিশাল বিমানটি এক সময় তলিয়ে গেলো একেবারে পানির নিচে! কারণ কী বিমানটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার? সে প্রশ্ন যে কারও মনে আসতেই পারে।

ঘটনাটি তুরস্কের। গত ১৫ জুন দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় ইদাইর্ন শহরের কাছের সারোস উপসাগরে ডুবিয়ে দেওয়া হয় বিশাল আকারের যাত্রীবাহী বিমান এয়ারবাস এ৩৩০। তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় আন্তালিয়া নগরী হতে আনা হয় বিমানটি। ডাইভিং সেক্টরে পর্যটক আকর্ষণের জন্যই এটি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বিমান কর্তৃপক্ষ। সমুদ্রের তলদেশে থাকা বিমানটিতে প্রবেশ করতে পারবেন সৌখিন ডুবুরিরা। এই অঞ্চলে ডাইভিং করতে আসা লোকদের বাড়তি বিনোদন দেবে এই বিমানটি। বিমানটির মধ্যে কিছুক্ষণ অবস্থানও করতে পারবেন পর্যটকরা।

দেশটির বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে, যে কারণে পর্যটক আকর্ষণে নতুন মাত্রা যোগ হবে এই অঞ্চলটিতে। বিশেষ করে যেসব পর্যটক সমুদ্রের তলদেশে ডাইভিং করেন তাদের জন্য বলা যায় সুখবর।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমান যা ডুবিয়ে দেওয়া হলো পর্যটক আকর্ষণের জন্য। ৯০ টন ওজনের বিমানটি ডুবিয়ে দিতে সময় লেগেছে ৪ ঘণ্টা। কিছুদিন আগে বিমানটিকে যাত্রী পরিবহন হতে অবসরে পাঠানো হয়। পরে সেটিকে পর্যটক আকর্ষণের কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বিশাল আকারের রাবারের নৌকার ওপর ভাসিয়ে বিমানটিকে উপকূল হতে আধা নটিক্যাল মাইল সমুদ্রের ভেতরে নেওয়া হয়। তারপর রাবারের নৌকাগুলোর বাতাস বের করে দিলে বিমানটি ধীরে ধীরে তলিয়ে যায় সমুদ্রের একেবারে তলদেশে।

তুরস্কের অর্থনীতির বড় একটি আয়ের উৎসই হলো এই পর্যটন খাত। দেশটিতে প্রতিবছর প্রচুর পর্যটক ভ্রমণ করেন। গত কয়েক বছরে এই খাতকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বিভিন্ন চমকপ্রদ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে তুর্কি পর্যটন বিভাগ। বিমান ডুবিয়ে দেওয়াও তারই একটি অংশ ছিলো।

Loading...