The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মুরগির জিন সংশোধন করে বার্ড ফ্লু থেকে রক্ষার কৌশল উদ্ভাবন!

শত বছর ধরে বিশ্বে বড় এক আতঙ্কের নাম হলো এই বার্ড ফ্লু

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বার্ড ফ্লু নিয়ে সারা বিশ্ব চিন্তিত। কারণ মুরগির ফ্লু হওয়ায় মানুষের প্রধান খাদ্য হিসেবে পরিগণিত মুরগি নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে এবার বিজ্ঞানীরা ভালো খবর দিয়েছেন। মুরগির জিন সংশোধন করে বার্ড ফ্লু থেকে রক্ষার কৌশল উদ্ভাবন করা হয়েছে!

মুরগির জিন সংশোধন করে বার্ড ফ্লু থেকে রক্ষার কৌশল উদ্ভাবন! 1

বিজ্ঞানীরা এমন মুরগি জন্ম দেবেন যার দেহে বার্ড ফ্লু বাসা বাঁধতেই পারবে না! মুরগির জিন এডিট করে সেই পথে এক ধাপ এগিয়েও গেছেন বিজ্ঞানীরা।

শত বছর ধরে বিশ্বে বড় এক আতঙ্কের নাম হলো এই বার্ড ফ্লু। সর্বশেষ ২০০৯ হতে ২০১০ সালের মধ্যে সারা বিশ্বে প্রায় ৫ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল এইচওয়ানএনওয়ান ভাইরাস। তবে পাখিবাহিত ভাইরাসের কারণে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে ১৯১৮ হতে ১৯২০ সালের মধ্যে। তখন একই ভাইরাসের কারণে মারা যায় প্রায় ৫ কোটি মানুষ।

বার্ড ফ্লুর এমন আশংকা থেকে বিশ্বকে দূরে রাখার উপায় দীর্ঘ দিন ধরেই খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা। এতোদিন নিশ্চিত কোনো উপায় তাঁরা খুঁজেই পাননি। অবশেষে ব্রিটেনের ইম্পেরিয়াল কলেজ ও এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসলিন ইনস্টিটিউটের গবেষকরা তেমন সাফল্যই পেতে যাচ্ছেন বলে সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়। পরীক্ষাগারে মুরগির ছানার ডিএনএ-র একটি অংশ হতে এএনপি৩২ প্রোটিন সরাতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, এই প্রোটিনেই বার্ড ফ্লুর ভাইরাস আশ্রয় নেয়। সুতরাং এই প্রোটিন মুরগির ডিএনএ হতে সরানোর কারণে মুরগি ওই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার আশংকা থেকে একেবারেই মুক্ত!

গত ৪ জুন বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল ইলাইফ-এ এ বিষয়ে একটি বিশেষ নিবন্ধ ছাপা হয়। সেই নিবন্ধে রসলিন ইনস্টিটিউটের গবেষক মাইক ম্যাকগ্রিউ জানিয়েছেন, তাঁদের পরবর্তী লক্ষ্যই হলো জিন-এডিটিং টেকনোলজির মাধ্যমে এমন মুরগি জন্ম দেওয়া যা বার্ড ফ্লু-তে আক্রান্ত হবে না। তিনি বলেছেন, ‘‘এটা (গবেষণায়) এমন এক অগ্রগতি যার কারণে আমরা এখন জিন-এডিটিং টেকনোলজি ব্যবহার করে বার্ডফ্লু-প্রতিরোধী মুরগি জন্ম দেওয়ার আশা করার পূর্বে এডিট করা ডিএনএ মুরগির দেহে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে না এই বিষয়ে আরও ভালোভাবে নিশ্চিত হতে চান বিজ্ঞানীরা।

Loading...