The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভ্রমণ স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে দুই মুঠি বালু নিতে গিয়ে পর্যটক বিপাকে!

দেশটির আইন অনুযায়ী তাদের ১ হতে ৬ বছরের জেল ও এর সঙ্গে আর্থিক জরিমানাও হতে পারে!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ফরাসি দুই পর্যটক ভ্রমণ শেষে স্মৃতি হিসাবে সমুদ্র হতে দুই মুঠি বালি কুঁড়িয়ে আনতে গিয়ে পড়েছেন মহা বিপাকে। ইতালীতে জড়িয়ে পড়েছেন এক আইনি ঝামলায়।

ভ্রমণ স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে দুই মুঠি বালু নিতে গিয়ে পর্যটক বিপাকে! 1

ফরাসি দুই পর্যটক ভ্রমণ শেষে স্মৃতি হিসাবে সমুদ্র হতে দুই মুঠি বালি কুঁড়িয়ে আনতে গিয়ে পড়েছেন মহা বিপাকে। ইতালীতে জড়িয়ে পড়েছেন এক আইনি ঝামলায়।

দেশটির আইন অনুযায়ী তাদের ১ হতে ৬ বছরের জেল ও এর সঙ্গে আর্থিক জরিমানাও হতে পারে! এই ঘটনাটি ঘটেছে ইতালির সার্দিনিয়ার দক্ষিণ-উপকূলবর্তী একটি এলাকায়। জানা যায়, গত সপ্তাহে এই এলাকায় ভ্রমণে আসেন দুজন ফরাসি পর্যটক। সার্দিনিয়ার কিয়া বিচে সময়ও কাটান তারা। ফেরার সময় এই বিচ হতে ভ্রমণের স্মৃতিচিহ্ন হিসাবে কিছুটা বালি বোতলবন্দি করেন।

তবে ইতালীয় নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে পড়ে যায় ওই বিষয়টি। সঙ্গে সঙ্গেই আটক করা হয় ওই দুই পর্যটককে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় মাত্র ৪১ কিলোগ্রাম বালি। যা ১৪টি বোতলে আলাদা আলাদাভাবে নিয়ে যাচ্ছিলেন এই দুই পর্যটক।

ইতালির পরিবেশ রক্ষা আইন অনুযায়ী বেআইনিভাবে সমুদ্রতট হতে বালি নিয়ে যাওয়া অপরাধের মধ্যে পড়ে। এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে জেল-জরিমানার বিধানও রেখেছে দেশটি। এই আইনের বিধান মতে, দুই পর্যটকের ১ হতে ৬ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। সেই সঙ্গে ৩ হাজার ইউরো আর্থিক জরিমানাও করা হতে পারে তাদের।

জানা গেছে যে, ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে সার্দিনিয়ার উপকূলবর্তী এলাকায় এই আইনটি কার্যকর করা হয়েছে। যদিও এই আইন সম্পর্কে কিছুই জানতেন না বলেই দাবি করেছেন অভিযুক্ত ওই দুই ফরাসি পর্যটক।

ইতিপূর্বে এখানে ঘুরতে আসা পর্যটকরা সমুদ্রতট হতে বালি, নুড়ি, ঝিনুক কুঁড়িয়ে নিয়ে যেতেন। পরবর্তীকালে অনলাইনে এগুলো চড়া দামে বিক্রিও করা হতো।

এই বিষয়ে রোমের দূতাবাস থেকে সতর্ক করে জানানো হয়, আপাতদৃষ্টিতে এটি খুব সাধারণ একটি বিষয় বলে মনে হলেও এসব ঘটনায় পরিবেশের উপর উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতি হচ্ছিল যে কারণে আইন করে ঠেকানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত ফরাসি এই দুই পর্যটকের অবস্থা কি হবে তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। আইনের গ্যাড়াকলে তারা কি আটকে যাবেন? নাকি বিশেষ বিবেচনায় আদালত তাদের মুক্তি দেবে? বিচার শেষ হলে হয়তো বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

Loading...