The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এবার যন্ত্র বলবে মনের কথা

আমরা তাই শুনতে পাই যা আমরা মুখে বলে থাকি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা আমাদের মনের ভাব ও কথা প্রকাশ করার জন্য ভাষা, ইঙ্গিত, ইশারা আরো কত মাধ্যম ব্যবহার করে থাকি। আমাদের মনের কথা প্রকাশের জন্য কথা হল সেরা মাধ্যম যা আমরা সকলেই ব্যবহার করে থাকি। এবার যন্ত্র বলবে মনের কথা।

এবার যন্ত্র বলবে মনের কথা 1

আমরা তাই শুনতে পাই যা আমরা মুখে বলে থাকি। আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন যে আমরা যা শুনি বা বলি মানে আমাদের বা আমাদের আশেপাশে যারা আছেন তাদের মুখের কথা কি আসলেই তাদের মনের কথা কি না? হ্যাঁ আপনি ঠিক ধরেছেন আমরা শুধু মানুষের মুখের কথাই শুনি। তবে মানুষের মনের কথা শুনার আগ্রহ আমাদের সকলেরি। ঠিক এমন একটি অভাবনীয় আবিস্কারের ক্ষেত্রে মনোনিবেশ করে সফলতা কাম্য করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অর্ণব কাপুর।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত অর্ণব কাপুর নতুন এক ধরণের হেডসেট আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন যা দিয়ে আমরা খুবি সহজে মনের কথা জানতে পারবো। মনের কথা শুনতে এখন আর কারো মুখের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে না। কারো মনের কথা সোনার জন্য উভয়কেই এই হেডসেট পরিধান করতে হবে। এতে করে হেডসেট পরিধান করা ব্যক্তির একে অপরের মনের কথা শুনতে সক্ষম হবেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত অর্ণব কাপুরের এই অভাবনীয় হেডসেটের নাম হল অলটারইগো। গবেষকদের মতে জানা যায় এই অলটারইগো হেডসেট পরিধান করা অবস্থায় উচ্চস্বরে কথা বলার কোন প্রয়োজন পড়ে না শুধু মনে মনে কথা বললেই হল।

সম্প্রতি অর্ণব কুমার তার এই অলটারইগো হেডসেটটিকে জাপানের টোকিওতে অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্পিউটিং মেশিনারি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এআই যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করেছেন যাকে সহজ ভাষায় জ্ঞান উদ্দীপন যন্ত্র বলা হয়। এই অলটারইগো হেডসেট যন্ত্রটি দেখতে প্রায় হেডফোনের মত যা আমরা আমাদের চোয়াল ও থুতনি বরাবর পরতে হবে। ডিভাইসটির নিচে থাকা চারটি ইলেক্ট্রোড আমাদের ত্বক ও পেশির সংকেত পেয়ে যাবে যার ফলে এই ডিভাইস পরিধান করা অবস্থায় কেউ মনে মনে কথা বলা মাত্রই তা বুঝতে পারবে এই অলটারইগো হেডসেট। আমরা অনেকেই আমাদের মনের কথা মুখের ভাষায় সহজ ভাবে বলতে বা তুলে ধরতে পারি না যার ফলে জিবনের নানা ক্ষেত্রেই আমরা হতাশ হয়ে পড়ি। তবে এই ডিভাইস আমাদের মনের কথা তার কৃত্রিম বুদ্ধি দ্বারা তার বিশেষ শব্দের সমারহ থেকে কথাকে নিজ আঙ্গিকে কম্পিউটারের দ্বারা উপস্থাপন করবে।

বর্তমানের এই অলটারইগো হেডসেটের উন্নয়ন কাজ এখনো চলছে। সম্প্রতি এই অলটারইগো হেডসেটের উপর ১০ জনের একটি দল গঠন করে এর পরীক্ষা চালনা করা হয় যেখানে খুব ভালোভাবেই প্রায় ৯২ শতাংশ এটি নিখুত ভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়েছে। সময়ের সাথে এই অলটারইগোর আরো উন্নতি হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করছেন অর্ণব কুমার ও তার বিশেষজ্ঞ দল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কণ্ঠ রূপান্তরকারী যন্ত্র অ্যালেক্সা, অ্যাপলের সিরির , গুগোল অ্যাসিস্ট্যান্ট ইত্যাদির সাথে সমন্বয় ও তাল মিলিয়ে চলাই এই অলটারইগো হেডসেটের মুল লক্ষ্য।

Loading...