The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

চাকরির অনিশ্চয়তা বুঝবেন কীভাবে?

চাকরি চলে যাওয়ার ঝুঁকি কী আগেভাগেই টের পাওয়া সম্ভব?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ চাকরি নিয়ে অনেকেরই অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। চাকরিটা আসলেও থাকবে? নাকি সত্যিই থাকবে না? সেই বিষয়টি আন্দাজ করার জন্য রয়েছে বেশ কিছু পন্থা। আজ সেই বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করা হবে।

চাকরির অনিশ্চয়তা বুঝবেন কীভাবে? 1

চাকরি চলে যাওয়ার ঝুঁকি কী আগেভাগেই টের পাওয়া সম্ভব? আর এই অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার কারণই বা কী? এমন নানা প্রশ্ন আসতেই পারে। তবে সে সব প্রশ্নের জবাবও রয়েছে আপনার হাতের কাছেই।

জীবনযাপন-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে তুলে ধরা হলো এই বিষয়টি নিয়ে একটি প্রতিবেনদ। যা আপনার কাজে আসতে পারে।

বেতন যতো বেশি, ঝুঁকিও ততো বেশি

প্রতিষ্ঠান বা দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, যাই খারাপ হোক কেনো তা সামাল দিতে হলে প্রতিষ্ঠানকে খরচ কমানোর পরিকল্পনায় বসতেই হয়। তারই একটি অংশ হলো কর্মী ছাঁটাই পন্থা, পক্ষান্তরে বেতন-ভাতা সংক্রান্ত খরচ কমানোও একটি বিষয়। এমন এক পরিস্থিতিতে এসে প্রতিষ্ঠানের বেশি বেতনের কর্মীরাই বাড়তি ঝুঁকির মধ্যে থাকেন সব সময়। কারণ হলো একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বেতন দিয়ে একাধিক কর্মীর বেতন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। আর তাই একাধিক ছাঁটাইয়ের তুলনায় একজনকে বাদ দেওয়ার ঝামেলাই অনেক কম। আর এই ক্ষেত্রে তাই করা হয়।

অনেক বেশি সদস্যের দল

দেখা যায় একটি প্রতিষ্ঠানের একাধিক বিভাগ থাকে। বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি বিভাগের আওতায় একাধিক কর্মীদলও থাকে। এমন এক কর্মীদলে কর্মীর সংখ্যা যদি অনেক বেশিই হয়ে থাকে তবে সেখান থেকে বাদ দেওয়ার আশঙ্কাও তখন বাড়ে। কারণ হলো খরচ বাঁচানোর জন্য পুরো দল বা বিভাগ বন্ধ করার তুলনায় দলের সদস্যা কমানো যৌক্তিক একটি সিদ্ধান্ত। একটি বড় দল যদি সেই অনুযায়ী কর্মক্ষেত্রে ফলাফল দিতে না পারে তবে সেখান থেকে কর্মী ছাঁটাই হওয়াই খুব স্বাভাবিক।

বিপ্লবী কর্মীদের ক্ষেত্রে যা ঘটে

কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত যেমন কঠিন একটি সিদ্ধান্ত ঠিক তেমনি সমালোচিতও বটে। তাই কোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা বিভাগ কখনই চাইবে না তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে কেও পাল্টা প্রশ্ন তুলুক। যে কারণে বড় ধরনের ছাঁটাই শুরু হওয়ার পূর্বেই তারা এমন বিপ্লবী কর্মীদের বাদ দিতে পারেন যাতে ছাঁটাই নিয়ে বড় ধরনের সমালোচনা এড়ানো সম্ভব হয়।

অল্প খরচে বাইরে থেকে কাজ করানোর বিষয়

আর্থিক সমস্যা থাকুক আর না থাকুক প্রতিটি প্রতিষ্ঠান চায় তার খরচ কিছুটা হলেও কমাতে। অফিসের যে কাজটি করার জন্য বেতন দিয়ে লোক রাখা হয়েছে তা যদি বাইরের কোনো প্রতিষ্ঠান করে দিতে পারে খুব কম খরচে তবে প্রতিষ্ঠান সেদিকেই আগ্রহী হবে বেশি এবং সেটি স্বাভাবিক একটি বিষয়। এই কর্মকেই বলা হয় ‘আউটসোর্সিং’। খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ‘আউটসোর্সিং’ আরও অনেক রকম সুবিধা বয়ে আনে। যেমন অভিজ্ঞ কর্মী, জনবল, সময় এবং স্থান সাশ্রয় ইত্যাদি বিষয়। সে কারণে অফিসে আপনার কাজ যদি ‘আউটসোর্সিং’য়ের যোগ্য হয় তবে চাকরি হারানোর ঝুঁকি থেকে যাবে আপনার। তাই উপরোক্ত বিষয়গুলো সব সময় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। যাতে অফিসে এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় যার জন্য আপনার চাকরি যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Loading...