The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মঙ্গল গ্রহে পাওয়া গেলো উঁচু লবণের পাহাড়!

‘লাল গ্রহ’ মঙ্গলে পাওয়া গেলো হ্রদের কঙ্কালসার দেহ!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মঙ্গল গ্রহ নিয়ে গবেষকদের গবেষণার যেনো শেষ নেই। এবার মঙ্গল গ্রহে পাওয়া গেলো উঁচু লবণের পাহাড়! এই পাহাড় নিয়েও নতুন করে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকরা।

মঙ্গল গ্রহে পাওয়া গেলো উঁচু লবণের পাহাড়! 1

মঙ্গল গ্রহ নিয়ে গবেষকদের গবেষণার যেনো শেষ নেই। এবার মঙ্গল গ্রহে পাওয়া গেলো উঁচু লবণের পাহাড়! এই পাহাড় নিয়েও নতুন করে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকরা।

‘লাল গ্রহ’ মঙ্গলে পাওয়া গেলো হ্রদের কঙ্কালসার দেহ! সাড়ে তিনশো কোটি বছর পূর্বে যেটি ছিল টলটলে পানিতে ভরা। চওড়ায় ১০০ মাইল কিংবা ১৫০ কিলোমিটার। সেই শুকিয়ে যাওয়া সুবিশাল হ্রদের খাত থেকে গা বেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে আলো ঝলসানো লবণের এক পাহাড়!

মঙ্গলের অসম্ভব রুখুসুখু লালচে পিঠে ঘুরে বেড়াতে গিয়ে ‘কুমারী কৌতূহলে’র চোখে পড়লো এই হ্রদটি। মঙ্গলে ঘুরে-চরে বেড়ানো নাসার রোভার ‘মিস কিউরিওসিটি’র বাংলা নাম হলো ‘কুমারী কৌতূহল’। নাসার বিজ্ঞানীদের গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার-জিওসায়েন্স’-এ।

নাসার রোভারের কৌতূহলী চোখে ধরা পড়া শুকিয়ে যাওয়া সুবিশল হ্রদটির ওই লবণ প্রকৃতপক্ষে খাওয়ার লবণ নয়। এটি আসলে খনিজ লবণ। উচ্চতায় যা কম করে হলেও ৫০০ ফুট হবে। যেনো প্ল্যাটিনামের ভাণ্ডার এটি! বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস যে, ওই লবণের পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে এখনও লুকিয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, নাসার রোভার এমন সব নমুনা খুঁজে পেয়েছে লাল গ্রহের সেই ‘গেইল ক্রেটার’ এলাকাতে, যেগুলো পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, মঙ্গলে টলটলে জনা ভরা হ্রদটি ছিল অবিকল দক্ষিণ আমেরিকার আল্টিপ্ল্যানোতে লবণাক্ত কুইসকুইরো হ্রদের মতোই দেখতে!

মঙ্গল গ্রহের রুখুসুখু পিঠে সেই প্রাচীন হ্রদের পানিতে যে লবণাক্ত ছিল, নাসার বিজ্ঞানীরা তারও প্রমাণ পেয়েছেন। রোভার ‘কিউরিওসিটি’ সেই হ্রদের খাত থেকে গা বেয়ে লবণের পাহাড়কে মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়। উচ্চতায় এটি ৫০০ ফুট কিংবা ১৫০ মিটার। নাসা ওই এলাকার নাম দিয়েছে ‘সাট্‌ন আইল্যান্ড’। রোভার কিউরিওসিটি যে এলাকা জুড়ে বেরিয়েছিল বছর দু’য়েক পূর্বে।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে আরও জানা যায়, বিভিন্ন সময় মঙ্গলের বুকে গ্রহাণু, উল্কাপিণ্ড ও ধূমকেতুরা আছড়ে পড়ার কারণেই তৈরি হয়েছিল সেই গেইল ক্রেটার এলাকা। যেটি ছিল মূলত সুবিশাল গহ্বর। পরে পানির স্রোত এসে ভরিয়ে দেয় ওই গহ্বর। পরে বাতাসের ঠেলায় ওই এলাকাতে জন্ম লাভ করে মাউন্ট শার্পের মতো সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।

Loading...