The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

চীনের সমাধিতে পাওয়া গেছে ৫০০ বছরের পুরনো অক্ষত ডিম!

গুয়ানগান শহরের একটি পার্কের মিং রাজবংশের (১৩৬৮-১৬৪৪ সাল) সমাধি হতে ওই বয়ামটি পাওয়া গেছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশের প্রত্নতাত্ত্বিকরা সম্প্রতি বলেছেন যে, তারা একটি বয়ামে ৫০০ বছরেরও বেশি পুরনো চাল এবং অক্ষত ডিম উদ্ধার করেছেন। গুয়ানগান শহর জাদুঘরের কিউরেটর তাং ইউনমেই বলেছেন যে, গুয়ানগান শহরের একটি পার্কের মিং রাজবংশের (১৩৬৮-১৬৪৪ সাল) সমাধি হতে ওই বয়ামটি পাওয়া গেছে। এর এপিটাফ নির্দেশ করে যে সমাধিটি ইয়াং মিং এর, যিনি ১৫০১ সালে মারা গিয়েছিলেন ও তার দুই স্ত্রীর।

চীনের সমাধিতে পাওয়া গেছে ৫০০ বছরের পুরনো অক্ষত ডিম! 1

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশের প্রত্নতাত্ত্বিকরা সম্প্রতি বলেছেন যে, তারা একটি বয়ামে ৫০০ বছরেরও বেশি পুরনো চাল এবং অক্ষত ডিম উদ্ধার করেছেন। গুয়ানগান শহর জাদুঘরের কিউরেটর তাং ইউনমেই বলেছেন যে, গুয়ানগান শহরের একটি পার্কের মিং রাজবংশের (১৩৬৮-১৬৪৪ সাল) সমাধি হতে ওই বয়ামটি পাওয়া গেছে। এর এপিটাফ নির্দেশ করে যে সমাধিটি ইয়াং মিং এর, যিনি ১৫০১ সালে মারা গিয়েছিলেন ও তার দুই স্ত্রীর।

অক্ষত শাঁসযুক্ত ডিমগুলো বয়ামের ভেতর চালের মধ্যেই রাখা হয়েছিলো। গবেষকরা জানিয়েছেন যে, কতোগুলো ডিম ও কী পরিমাণ চাল ছিল সেটি এখনও যাচাই করা হয়নি।

তাং বলেছেন যে, পাথরের সমাধিটি খুব ভালো ভাবেই সংরক্ষণ করা হয়েছিল এবং তার কাঠের কফিনের ভেতরে ২-৫ সেন্টিমিটার চুনের স্তরসহ ভালো আর্দ্রতারোধক ও ক্ষয় প্রতিরোধক নকশাও রয়েছে। চাল ও ডিমের বয়ামটি একটি ঢাকনা দ্বারা সুরক্ষিত ছিল।

‘সমাধিটি যত্ন সহকারে নির্মাণের জন্য ডিমগুলো ভালোভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা স্থির তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার সঙ্গে একটি আবদ্ধ স্থান তৈরি করেছিল,’ বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন কিউরেটর। প্রাচীন সমাধিগুলো হতে অক্ষত ডিম আবিষ্কারের ঘটনা চীনে অত্যন্ত বিরল বলে মন্তব্য করা হয়েছে।

ইতিপূর্বে অর্থাৎ মার্চ মাসে প্রত্নতাত্ত্বিকরা পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশের ২৫০০ বছরের পুরনো সমাধি হতে ডিম ভরা একটি বয়াম আবিষ্কার করেছিলেন, যার মধ্যে একটি ডিম ভাঙা ছিল।

অপরদিকে ২০১৫ সালে চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুইঝৌ প্রদেশের প্রত্নতাত্ত্বিকেরা প্রায় ২০০০ বছরেরও বেশি সময় পূর্বের একটি সমাধি হতে একটি ডিম উদ্ধার করা হয়, তবে গবেষকরা পরিষ্কার করার ব্রাশের ছোঁয়ায় শাঁসটি ফেটে গিয়েছিলো।

গুয়ানগান শহর জাদুঘরের কিউরেটর তাং ইউনমেই বলেছেন যে, সদ্য পাওয়া ডিমের বয়ামটি অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করে ল্যাব বিশ্লেষণের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। এতে প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে ডিমের সংখ্যা এবং অবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ছাড়াই এটি যাচাই করা সম্ভব হবে।

Loading...