The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভ্রমণ: মারমেইড বিচ রিসোর্ট সম্পর্কে যা জানবেন

এই সময় বেড়ানোর শ্রেষ্ঠ সময় বলা যায়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এই সময়টিতে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকে। তাই এই সময় বেড়ানোর শ্রেষ্ঠ সময় বলা যায়। তাছাড়া শীতের সময় বেড়ানোর মজাও আলাদা। এই ভ্রমণে সবচেয়ে বেশি যেটি জানা দরকার আর তা হলো রিসোর্ট সম্পর্কে। আজ রয়েছে মারমেইড বিচ রিসোর্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য।

ভ্রমণ: মারমেইড বিচ রিসোর্ট সম্পর্কে যা জানবেন 1

এই সময়টিতে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকে। তাই এই সময় বেড়ানোর শ্রেষ্ঠ সময় বলা যায়। তাছাড়া শীতের সময় বেড়ানোর মজাও আলাদা। এই ভ্রমণে সবচেয়ে বেশি যেটি জানা দরকার আর তা হলো রিসোর্ট সম্পর্কে। আজ রয়েছে মারমেইড বিচ রিসোর্ট সম্পর্কে কিছু তথ্য।

‘বিচ’ কথাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে যেনো সমুদ্রের ঢেউয়ের গর্জনও শুনতে পাওয়া যায়। মনে পড়ে যায় উপচেপড়া ঢেউয়ে গা ভাসিয়ে দেওয়া, ঠাণ্ডা বাতাসে পা ভিজিয়ে রাতে সমুদ্রের পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকার কথা। অন্তহীন সমুদ্রের সূর্যাস্ত মুগ্ধ নয়নে অনুধাবন করা ও মজার স্বাদের সিফুড খাওয়ার অভিজ্ঞতার কথাও। না, এটি কোনো বিদেশি বৈচিত্র্যের কথা বলা হচ্ছে না, সপরিবারে ঘুরে আসা কক্সবাজার ও সেই সঙ্গে মারমেইড বিচ রিসোর্ট এর কথা।

সত্যিই অপরূপ প্রাকৃতিক এক সৌন্দর্য। ওখানে খেতে গিয়ে দেখা যায় প্রকৃতির আলোছায়ার মাঝে আমাদের জন্য সাজানো হয়েছিল খাবার টেবিল ও পরিবেশনও ছিল এক চমৎকারভাবে।

কলাতলী হতে ২৫/৩০ মিনিট টুকটুক করে যাওয়া যায় সেখানে। চারপাশের পরিবেশে মুগ্ধ হয়ে খাবারের অর্ডার দিয়েই ঘুরতে বের হতে পারেন আশে পাশের প্রাকৃতিক স্থানগুলো দেখতে। নীল পদ্ম ফুটে রয়েছে। ছোটরা খোলামেলা জায়গা পেয়ে দারুণ মজা করছে।

সেখানে খাবার তৈরির কিচেনটিও আপনি বাইরে থেকেই দেখতে পাবেন। জুস কর্নার আলাদাভাবে সাজানো হয়েছে নানা ফল দিয়ে। গ্লাসে ফল কেটে জুস পরিবেশন করা হয়। জুস খেতে খেতে ঘুরে দেখতে পারেন চারপাশে।

শোনা যায়, এ জায়গাটি নাকি পেঁচার দ্বীপ হিসেবেও খ্যাত, ছোট ছোট নৌকায় ঘোরার ব্যবস্থাও রয়েছে। অনেক সময় সন্ধ্যায় গানের ব্যবস্থাও থাকে। আগুন দিয়ে বৈচিত্র্যময় খেলা দেখে আপনিও অবাক হতে পারেন। বালুর ওপরে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন মূর্তি। রঙিন নৌকা, লোহা দিয়ে বানানো বিভিন্ন সেপের জিনিসপত্র, সেখানে আপনিও ছবি তুলতে পারেন।

আপনি ইচ্ছে করলেই কক্সবাজার থেকে ঘুড়ি কিনতে পারেন। খোলা বিচে হাঁটতে হাঁটতে ঘুড়ি ওড়ানোর মজায় কিন্তু আলাদা। জুস তো সবাই খাচ্ছিল, সঙ্গে দেওয়া হলো সিফুড, সালাদ, গ্রিল কালামারি, কালামারি ফ্রাই, সব কিছুরই যেনো অপূর্ব স্বাদ। সেই সঙ্গে আচারের যে সসটা দিচ্ছিল, সেটিও বেশ মজার খেতে। দুপুরের খাবার খেতে গেলেও মজার সময় পার করতে পারেন আপনি। সবাই সবার পছন্দমতো খাবারের অর্ডার দিতে পারেন, তাই খাবারের বিভিন্ন রূপ দেখেও মুগ্ধ ও খাবার খেয়ে তৃপ্তিও পেতে পারেন আপনারা।

সেখানে খাওয়া শেষ হলেই আবার খোলা জায়গায় বসা যাবে। ওরা অতিথিদের সমুদ্রের পাড়ে বসার জন্য সুন্দর সুন্দর ব্যবস্থা করে রেখেছে। চাইলে আপনি সেখানে বসেও খাবার খেতে পারেন এবং স্থানটি উপভোগ করতে পারেন। এই মৌসুমটা বর্তমানে এতোই সুন্দর, কিছুদিন বেড়িয়ে এলে আপনা বেশ ভালোই লাগবে। প্রতিদিনের ব্যস্ত সময় থেকে কিছুটা বিরতি নিতে পারবেন, ঠিক প্রকৃতির কাছাকাছি গিয়ে। তথ্য: রাহনুমা শর্মীর লেখা অবলম্বনে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...