The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ফাইভ-জি ল্যাপটপ বাজারে আসছে

প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডেল এবং এইচপি ইতিমধ্যেই ফাইভ-জি সুবিধাযুক্ত ল্যাপটপ বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ফাইভ-জি প্রযুক্তি নিয়ে আমাদের যেনো আগ্রহের শেষ নেই। বিশেষ করে মোবাইলে এটি ব্যবহারের জন্য আমরা বেশি উদগ্রিব হয়ে আছি। তবে ল্যাপটপও আমাদের ব্যবহারের একটি অঙ্গ। তাই এবার বাজারে আসতে চলেছে ফাইভ-জি ল্যাপটপ।

ফাইভ-জি ল্যাপটপ বাজারে আসছে 1

ফাইভ-জি প্রযুক্তি নিয়ে আমাদের যেনো আগ্রহের শেষ নেই। বিশেষ করে মোবাইলে এটি ব্যবহারের জন্য আমরা বেশি উদগ্রিব হয়ে আছি। তবে ল্যাপটপও আমাদের ব্যবহারের একটি অঙ্গ। তাই এবার বাজারে আসতে চলেছে ফাইভ-জি ল্যাপটপ।

এবার বাজারে আসছে ফাইভ-জি সমর্থিত ল্যাপটপ। প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডেল এবং এইচপি ইতিমধ্যেই ফাইভ-জি সুবিধাযুক্ত ল্যাপটপ বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, বিশ্বসেরা প্রসেসর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টেলের সহায়তায় তৈরি ল্যাপটপগুলোতে মিডিয়াটেক প্রযুক্তি থাকবে, যেখানে ফাইভ-জি সাপোর্টেড মডেম ব্যবহার করা যাবে। ফাইভ-জি সুবিধাযুক্ত ল্যাপটপ বাজারে আনার তালিকায় প্রথমেই যুক্ত করা হলো ডেল ও এইচপি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস- টেক পোস্ট এই তথ্য দিয়েছে।

জানা গেছে, নতুন এই যৌথ উদ্যোগে মিডিয়াটেক ফাইভ-জি সাপোর্টেড মডেম তৈরিতে বিশেষ সহায়তা করবে এবং ইন্টেল পুরো কার্যক্রমের উন্নয়ন, সাপোর্ট ও ফাইভ-জি মডেমের যাবতীয় সেবাই দেবে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ধারণা মতে, ২০২১ সালের আগে ফাইভ-জির প্রসার তেমন একটা হবে না। তবে ভবিষ্যত চিন্তাকে সামনে রেখেই কাজ শুরু করেছে ডেল, এইচপি এবং ইন্টেল।

ইন্টেলের সঙ্গে মিডিয়াটেকের এই চুক্তি বাজারে ফাইভ-জি ভিত্তিক ল্যাপটপ তৈরিতে যুক্ত থাকা কোয়ালকমের অন্যতম প্রতিযোগী হিসেবে বাজারে স্থান করতে পারে বলেও ধারণা করছেন প্রযুক্তি বাজার গবেষকরা। এই বছরের কম্পিউটেক্স মেলায় ইতিমধ্যেই কোয়ালকম ও লেনেভো ফাইভ-জি সুবিধাযুক্ত ল্যাপটপ তৈরির ঘোষণাও দিয়েছে। যা ২০২০ সালের মধ্যেই বাজারে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রথমে ২জি তারপর এলো ৩জি এবং বর্তমানে ৪জি প্রযুক্তি বাংলাদেশে প্রচলন রয়েছে। এই প্রযুক্তি আরও এক ধাপ এগিয়ে এবার আসতে চলেছে ৫জি প্রযুক্তি অর্থাৎ ৫ম প্রজন্মের আবির্ভাব ঘটতে চলেছে। বাংলাদেশে খুব কম সময়ের মধ্যেই ইন্টানটে সুবিধা ছড়িয়ে পড়ায় এর ব্যবহারও বেড়েছে বহুগুণ। বর্তমানে টেলিফোন বিল হতে শুরু করে বিদ্যুৎ বিলসহ অনেক কিছুই বাংলাদেশের মানুষ ঘরে বসে অনলাইনে দিতে পারছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন মানুষের দোর গোড়ায় এসে পৌঁছে গেছে।

Loading...