The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

করোনায় অসহায়দের পাশে দাঁড়ালেন চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী

সারা পৃথিবী আজ প্রাণঘাতি করোনা মহামারীতে আক্রান্ত

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সারা পৃথিবী আজ প্রাণঘাতি করোনা মহামারীতে আক্রান্ত। করোনা ইস্যুতে আমাদের দেশও থমকে গেছে। সরকার, অনেক সংস্থা এবং অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনায় এক উদ্যোগ নিলেন চিত্রনায়ক বাপ্পি।

করোনায় অসহায়দের পাশে দাঁড়ালেন চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী 1

আমাদের দেশের অনেক মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করেন। তাদের প্রতিদিনের সংসার তাদের দৈনিক উপার্জনের ওপর নির্ভর করে থাকে। করোনার কারণে তারা আজ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন চিত্র জগতের অনেকের মতোই চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘কিছুদিন ধরেই আমি আমার স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে কিছু কাজ করছি এইসব অসহায় মানুষগুলোর পাশে থাকার জন্য।

আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। অনেকেই যার যার অবস্থান হতে চেষ্টা করছেন। ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টও করছেন এবং অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এগিয়ে আসার জন্যই। তাদের প্রতি আমার অনেক কৃতজ্ঞতা রইলো। আসুন সবাই সচেতন থাকি এবং আসুন সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি।’

এছাড়াও এ নায়ক দেশের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কাছে কিছু দাবিও রেখেছেন।

বাপ্পি চৌধুরী বলেন, ‘প্রথমে আমাদের ৩০০ সংসদ সদস্যের কাছে অনুরোধ থাকবে, নির্বাচনের সময় আপনারা যেমন প্রত্যেকটা ভোটারের কাছে গিয়ে তাদের সমস্যাগুলো শোনেন এবং পরে আপনারা নিজে গিয়ে অথবা আপনাদের কর্মীদের দিয়ে সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করে থাকেন,

ঠিক একইভাবে আপনারা নিজে গিয়ে বা আপনাদের স্বেচ্ছাসেবকদের দিয়ে এইসব মেহনতি মানুষদের খোঁজখবর নেন। তাদের সচেতন করারও চেষ্টা করা যেতে পারেন।

দ্বিতীয়ত: দিন আনে দিনে খায় এমন মানুষদের নিজেদের কর্মীদের দিয়ে খাবার সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। সেটা অবশ্যই যেনো প্রাতিষ্ঠানিক হয়। পৃথক পৃথক করলে এটা গোলমেলে হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

তৃতীয়ত: প্রতিটি নির্বাচিন আসনে একটা তহবিল গঠন করুন। যে তহবিলে সমাজের যারা বিত্তশালী এবং স্বাবলম্বী রয়েছেন তারা অনুদান দেবেন। সেই অনুদানের বেকার হয়ে যাওয়া মানুষগুলোকেও সাহায্য করা হবে।’

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...