The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বেঁচে উঠতে পারলে কী করবেন তানজিন তিশা?

প্রায় এক মাস ধরে স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি অবস্থায় আছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস নাকাল করেছে গোটা বিশ্বকে। ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশে লকডাউন চলছে। বাংলাদেশেও লকডাউন চলছে। দেশের বেশির ভাগ মানুষই এখন ঘরবন্দি।

বেঁচে উঠতে পারলে কী করবেন তানজিন তিশা? 1

প্রায় এক মাস ধরে স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি অবস্থায় আছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। পরিবারের সঙ্গেই সময়টা কাটাচ্ছেন তিনি। তবে অভিনয়ের ব্যস্ততাকে ইদানিং খুব মিস করছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা।

এই বিষয়ে তানজিন তিশা বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই ঘরে রয়েছি। প্রথম দিকে রান্না নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। নতুন স্বাদের অনেক খাবার পরিবারের সদস্যদের সামনে পরিবেশনও করেছি। তবে বর্তমানে রান্নায় কম সময় দেওয়া হয়। ইদানিং ফেলে আসা শুটিংয়ের ব্যস্ততাকে আমি খুব মিস করছি।’

তিনি আরও জানান, ‘আগে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অভিনয় নিয়ে আমরা ব্যস্ত থাকতাম। এটা ছিল আমাদের প্রতিদিনের একটা রুটিন। সেই দিনগুলোর কথা ইদানিং খুব মনে পড়ছে। শুধু আমিই না, বিশেষ করে আমরা যারা অভিনয় করি সবাই, আবার কবে শুটিংয়ে যাবো, সেই দিনটার অপেক্ষায় রয়েছি। তবে শুটিংয়ে ব্যস্ততার কারণে এতোদিন পরিবারকে সময় দিতে পারিনি। এমন কি ওই সময় ঠিকমতো ঘুমও হয়নি। এখন হাতে অনেক সময়, এই সুযোগে পরিবারের সঙ্গে আড্ডা ও ঘুম পুষিয়ে নিচ্ছি। সেই সঙ্গে বই পড়ছি, মুভি দেখছি, এসব করেই আপাতত চলছে।’

করোনার এই সময়গুলো কেটে গেলে সবার আগেই এই শহরটা দেখতে চান তানজিন তিশা। তার ভাষ্য মতে, ‘মনে হচ্ছে কতো কাল এই শহরটিকে দেখি না। যদি বেঁচে উঠতে পারি, তাহলে প্রথমেই আমি শহরটাকে আবার নতুন করে দেখতে চাই।’

সবশেষে সবার উদ্দেশ্যে অভিনেত্রী তানজিন তিশা বলেন, ‘প্রতিটি মানুষই সবার আগে নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষার কথায় ভেবে থাকেন। করোনার এই সময় নিজের এবং পরিবারের জন্য সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে সকলকে। অযথা বাইরে বের হওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। আমরা যদি সচেতন না হই তাহলে সামনে আরও বড় বিপদ আছে।’

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...