The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাড়লো অনুদানের চলচ্চিত্রের বাজেট

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রতি বছরই সরকারি অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য বাজেট ঘোষণা করা হয়ে তাকে। তবে যে বাজেট দেওয়া হয় তাতে একটি সিনেমা নির্মাণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই এবার বাড়লো অনুদানের চলচ্চিত্রের বাজেট।

বাড়লো অনুদানের চলচ্চিত্রের বাজেট 1

অনুদানের বাজেট নিয়ে নির্মাতাদের অনুযোগ ছিল বহু দিন ধরেই। একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সেই অনুদান যথেষ্ঠ নয় বলেই দাবি করে আসছিলেন সবাই। এবার সরকারি অনুদানে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সার্বিক বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে বাজেট বাড়ালো সরকার।

২০২০-২১ অর্থ বছরে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে বর্তমানে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের অনুদান হিসেবে ১০ লাখ টাকা বাজেট নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে কয়েকটি শর্তও সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এক নীতিমালা প্রকাশ করে এমন তথ্য দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

নীতিমালায় জানানো হয় যে, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি চলচ্চিত্রসহ সর্বমোট ১০টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য অনুদান দেওয়া হবে। চলচ্চিত্রের নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে অনুদানের চেক প্রাপ্তির ৯ মাসের মধ্যে, চলচ্চিত্রের ভাষা এবং বিষয়বস্তু অবশ্যই জেন্ডার সংবেদনশীল হতে হবে, চলচ্চিত্রের দৃশ্য ধারণ করতে হবে ডিজিটাল ফরমেটে। তবে এবারই প্রথম নীতিমালায় শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে যে, অনুদান প্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি নূন্যতম ১০টি সিনেমা হলে মুক্তি দিতে হবে।

নীতিমালায় আরও জানানো হয় যে, ২০২০-২১ অর্থ বছরে একটি শিশুতোষ চলচ্চিত্রসহ ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রত্যেকটিতেই সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে।

এবার এটি বাড়িয়ে ১৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। ইতিপূর্বে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র সর্বোচ্চ অনুদান দেওয়া হয় ৬০ লাখ টাকা। নতুন নীতিমালার আলোকে খুব দ্রুত ১১ সদস্যের অনুদান কমিটি এবং ৭ সদস্যের অনুদান বাছাই কমিটি গঠন করা হবে। ৩১ আগস্টের মধ্যেই চলচ্চিত্রের গল্প, চিত্রনাট্য আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করবে তথ্য মন্ত্রণালয় এমনটিই জানানো হয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...