The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ডেড ম্যানস ফিঙ্গার আসলে কী?

আদতেও কারও পক্ষে ছবিটি দেখে এর অজানা রহস্য বোঝার কোনো রকম উপায় নেই

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মাঝে-মধ্যেই বিচিত্র সব ঘটনা পৃথিবীর মানুষকে বিস্মিত করে। তখন কল্পনাতেও আসে না কি রহস্য এই পৃথিবীতে লুকিয়ে রয়েছে। এমনই এক রহস্য হলো ‘ডেড ম্যানস ফিঙ্গার’।

ডেড ম্যানস ফিঙ্গার আসলে কী? 1

আদতেও কারও পক্ষে ছবিটি দেখে এর অজানা রহস্য বোঝার কোনো রকম উপায় নেই। প্রথমে মনে হবে এটি মনে হয় কোনো পায়ের আঙ্গুল। তবে পায়ের আঙ্গুলের রঙ এমন বিবর্ণ কেনো? তাছাড়া গঠনও দেখতে একটু ভিন্নতর।

সম্প্রতি রহস্য ছড়িয়ে দিয়ে ভারতের ফরেস্ট সার্ভিসের এক কর্মকর্তা সুশান্ত নানাদা একটি ছবি শেয়ার করেন নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে।

ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে যে, গাছের একটি গুঁড়ি পড়ে রয়েছে। তার নীচ থেকেই বেরিয়ে রয়েছে মানুষের পায়ের আকৃতির মতো কিছু একটা। যার পাঁচটা আঙুলও রয়েছে। সেইসঙ্গে রয়েছে নখ আকৃতির বস্তুও!

তবে সেটি যে আসলেও মানুষের পা নয়, তা দেখে অনুমান করা যায় খুব সহজেই। তাহলে প্রশ্ন হলো এটি আসলে কী?

নেটিজনদের কাছে প্রশ্নও করেছিলেন ভারতের ফরেস্ট সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা সুশান্ত নানাদা। এর উত্তরে পাওয়া গেছে চমকপ্রদ সব মন্তব্য। ছবিটা দেখে এক নেটিজেন বলেছেন যে, এটি কোনো গোরিলার পা। অপর একজন বলেছেন- কোনও রাজনীতিকের পা? যার আসলে গ্যাংগ্রীণ হয়েছে।

আবার আরেক ট্যুইটার ব্যবহারকারী জানান, এটি এমন একজনের পা, যার এখনই পেডিকিওর বা পায়ের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

এখন প্রশ্ন হলো এই পা কার, সেই খোঁজে চলে আসে ইয়েতির নাম পর্যন্তও। একজন ট্যুইটার ব্যবহারকারী বলেছেন, এই পা টা নিশ্চই ইয়েতির হতে পারে। আবার কেও কেও এমনও বলেন ছবিটি ফটোশপ করা হয়েছে।

তবে অবশেষে এসে আসল তথ্য প্রকাশ করেন ওই ফরেস্ট অফিসার। তিনি বলেছেন, কোনও মন্তব্য সঠিক হয়নি। এটি আদতেও মানুষ বা কোনও পশুর পা নয়। এটি প্রকৃতপক্ষে একধরণের ছত্রাক। যার নাম হলো ‘জাইলারিয়া পলিমরফা’। চলতি ভাষায় একে বলা হয়ে থাকে ‘মৃত মানুষের পা’ বা ‘ডেড ম্যানস ফিঙ্গার’।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...