The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মাদক পাচার করতে গিয়ে শ্রী ঘরে বিড়াল!​​​​​​​

হাই সিকিউরিটি ওয়েলিকাডা জেলের এই ঘটনা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে শ্রীলঙ্কায়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এমন একটি ঘটনাকে আজগুবি বলে মনে হলেও ঘটনাটি সত্যি। দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় সম্প্রতি এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে। সেখানকার এক কারাগারে মাদক পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেছে একটি বিড়াল।

মাদক পাচার করতে গিয়ে শ্রী ঘরে বিড়াল!​​​​​​​ 1

তাকে রাখা হয়েছে জেলের একটি বিশেষ সেলে। তবে সেখান থেকে সে পালিয়ে যায়! হাই সিকিউরিটি ওয়েলিকাডা জেলের এই ঘটনা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে শ্রীলঙ্কায়।

দেশটির সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শনিবার ওয়েলিকাডা জেল কর্তৃপক্ষ একটি বিড়ালকে ধরে আটকে রেখেছিলো। যার গলায় একটি ছোট্ট প্লাস্টিকের প্যাকেটে প্রায় দুই গ্রাম হেরোইন, দুটি সিমকার্ড এবং একটি মেমরি কার্ড ছিল। এসব দেখে জেল কর্তৃপক্ষ বুঝে গেছে যে, বিড়ালকে ব্যবহার করে জেলের ভেতর মাদক ও অন্যান্য নিষিদ্ধ জিনিস পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল।

শ্রীলঙ্কার সংবাদপত্র ‘অরুণা’ এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে যে, ওই ঘটনায় গত শনিবার বিড়ালটিকে ধরে জেলেরই একটি বিশেষ সেলে রাখা হয়েছিলো। তবে পরদিন রবিবার দেখা যায় বিড়ালটি সেখানে আর নেই, পালিয়ে গেছে।

জেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায় যে, শ্রীলঙ্কার এই কারাগারগুলোতে মাদক পাচারের পরিমাণ ক্রমেই বেড়েই চলেছে। অনেক সময় পাঁচিলের ওপার থেকে জেলের মধ্যে মাদক কিংবা অন্যান্য নিষিদ্ধ জিনিসপত্র ছুঁড়ে দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই কখনও কখনও তা জেল কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ে। আবার কখনও তা নজর এড়িয়ে বন্দিদের হাতেও হয়তো পৌঁছে যায়।

বর্তমানে গোটা শ্রীলঙ্কা জুড়েই মাদকের ব্যবসা রমরমা। পশুপাখিদের ব্যবহার করা হচ্ছে এইসব অবৈধ ব্যবসায়। গত সপ্তাহে দেশটির পুলিশ একটি ঈগলকে ধরে। ঈগলের মাধ্যমে কলম্বোর এক শহরতলিতে মাদক পৌঁছে দেওয়ার কাজ করা হচ্ছিল। পশুপাখিদের এভাবে ব্যবহার করার কারণে মাদক পাচার রোধের সঙ্গে যুক্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদর কাজ আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন। পুলিশও যেনো অসহায় হয়ে পড়েছে মাদক পাচারকারীদের দৌরাত্মে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...