The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ডানাওয়ালা ডাইনোসরের পালকে পাওয়া গেছে উকুন!

যে উকুনের সন্ধান পাওয়া গেছে, তার চরিত্র মোটেও এখনকার উকুনের মতো নয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মিয়ানমারে ডানাওয়ালা ডাইনোসরের পালকে উকুনের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। তারা প্রথম ১০ কোটি বছর পূর্বে উকুন জাতীয় কোনও পোকার সন্ধান পেলেন।

ডানাওয়ালা ডাইনোসরের পালকে পাওয়া গেছে উকুন! 1

তবে বিজ্ঞানীদের বক্তব্য হলো, যে উকুনের সন্ধান পাওয়া গেছে, তার চরিত্র মোটেও এখনকার উকুনের মতো নয়।

প্রশ্ন আসতে পারে ডাইনোসরের উকুন তাহলে বাছতো কে? প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিজ্ঞানীদের মনেও। কারণ সম্প্রতি মিয়ানমারে প্রাচীন কিছু ডাইনোসরের ফসিলে উকুনের সন্ধান পান বিজ্ঞানীরা। তারা দেখেছেন যে, ডানাওয়ালা ডাইনোসরের পালকের মধ্যে বাসা বেঁধে রয়েছে উকুনের মতো দেখতে কিছু অতি সূক্ষ্ণ জাতীয় পোকা।

জানা গেছে, গল্পটা আসলে জুরাসিক পার্কের মতোই। স্টিফেন স্পিলবার্গের সেই ছবিতে ডায়নোসরের জিন পাওয়া গিয়েছিল গাছের রেজিনের মধ্যে জমে থাকা ঠিক জীবাশ্মের মধ্যে।

মিয়ানমারে ডাইনোসর বিশেষজ্ঞরা গবেষণা করতে গিয়ে এমনই কিছু রেজিনে জমে যাওয়া ডানাওয়ালা ডাইনোসরের জীবাশ্মের সন্ধান পেয়েছেন। বেজিংয়ের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এরপর সেইসব জীবাশ্ম পরীক্ষা করে ডাইনোসরের পালকের মধ্যে ১০ রকমের পোকার সন্ধান পেয়েছেন। ইতিমধ্যে উকুন জাতীয় কিছু রয়েছে বলেও তাদের মনে সন্দেহ। যদিও বর্তমানে সাধারণ যে ধরনের উকুন দেখতে পাওয়া যায়, ১০ কোটি বছর আগের সেই পোকা ঠিক তেমনটি দেখতে নয়। তাদের আকার একটি চুলেরও দ্বিগুণ। মুখের আদলও একেবারেই অন্যরকম।

বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন যে, এরা শুধুমাত্র ডাইনোসরের পালকেই বাসা বাঁধতো। এরা চামড়া পর্যন্ত পৌঁছাতো না। তবে এর ফলে পালকের ষথেষ্ট ক্ষতি হতো বলেই তারা মনে করছেন।

সম্প্রতি বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল নেচারে এই সংক্রান্ত একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য হলো, মেসোজোয়িক যুগে এমন পোকার সন্ধান পাওয়া সত্যিই এক আশ্চর্য ঘটনা বটে। যে কারণে ওই সময়ের বিজ্ঞানচর্চার এক নতুন অধ্যায় খুলে যাবে তাতে সন্দেহ নেই। তথ্যসূত্র: ডয়চে ভেলে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...