The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

নবাবগঞ্জের ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গা মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০ খৃস্টাব্দ, ৮ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

নবাবগঞ্জের ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গা মসজিদ 1

যে মসজিদটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেটি রাজধানীর নিকটবর্তী নবাবগঞ্জে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গা মসজিদ।

রাজধানীর নিকটবর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার একটি প্রসিদ্ধ গ্রাম হলো এই নতুন বান্দুরা। উপজেলা সদর হতে মাত্র ৭ কি.মি দূরে নতুন বান্দুরা গ্রামে রয়েছে প্রায় ৪০০ বছরের পুরানো এই শাহী মসজিদ তথা ভাঙ্গা মসজিদ।

প্রায় ৫০ শতাংশ জমির উপর তিন গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটি অবস্থিত। যার মধ্যে মাত্র দুই শতাংশ জমির উপর রয়েছে মূল ভবনটি। প্রতিদিনই দূর দূরান্ত হতে মসজিদটিতে লোকজন আসেন এবাদত করতে। তবে প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করতে নবাবগঞ্জসহ এর পার্শ্ববর্তী দোহার, মানিকগঞ্জ, কেরানীগঞ্জসহ আশেপাশের কয়েকটি থানার কয়েক হাজার নারী-পুরুষের সমাগম ঘটে থাকে এই মসজিদটিতে। নারীদের ইবাদতের জন্য রয়েছে পৃথক সুব্যবস্থা।

ভাঙ্গা মসজিদটি নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম কল্পকাহিনী প্রচার করা হয়। লোকমুখে প্রচার রয়েছে যে, ভাঙ্গা মসজিদ একটি গায়েবী মসজিদ। তাদের ধারনা মসজিদের মূল ভবনটি মাটির নিচ থেকেই উঠে এসেছে। ভাঙ্গা মসজিদের নামাজ পড়ে কোনো কিছু মানত করলে আল্লাহর রহমতে সেই আশা পূরণ হয় বলেও জানান স্থানীয়রা। সেই বিশ্বাসেই দিন দিন মসজিদে আগত অতিথিদের সংখ্যা ক্রমেই যেনো বেড়েই চলেছে। তবে অনুমান করা হয় যে, এই তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে নির্মিত। সেই হিসেবে প্রায় ৪শ বছরের পুরানো মসজিদটি নবাবগঞ্জের কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মসজিদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ১৬৫ ফিট সুউচ্চ একটি মিনার। মিনারটি ঢাকা দক্ষিণের সবচেয়ে বড় মিনার।

মসজিদটি সম্পর্কে এলাকার মুরব্বিরা জানিয়েছেন, ১৬১০ সালে ভারত বর্ষে মোঘল বংশের দিল্লীর সম্রাট জাহাঙ্গীরের সুবেদার ছিলেন ইসলাম খান চিশতি। সুবেদার ইসলাম খান চিশতি বিভিন্ন প্রয়োজনে দিল্লী হতে যমুনা নদী দিয়ে নৌবিহার নিয়ে পাবনা জেলা হয়ে পদ্মা পাড়ি দিয়ে মানিকগঞ্জ হয়ে ইছামতি নদী দিয়ে ঢাকাতে যাতায়াত করতেন। সেই সময় রাত যাপন এবং ইবাদত করার জন্য আনুমানিক ১৬১৫ সালের দিকে নদীর পাশেই মসজিদটি নির্মাণ করেন। কালের পরিবর্তনে ইছামতি নদী ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে উত্তর দিকে চলে যায়। তখন মসজিদের পাশ্ববর্তী কোনো বসতিই ছিলো। পুরো এলাকাই বনাঞ্চল ছিলো। ১৮৮০ সনে হিন্দু জমিদাররা এই সমস্ত বনাঞ্চলের পত্তন নেন। তখন ওইখানে হিন্দুরা বসতি স্থাপন করার জন্য বনাঞ্চল কাটা আরম্ভ করেন। বন কাটার সময় হঠাৎ দেখতে পান এখানে একটা মসজিদ ঘর রয়েছে। যার উপরের কিছু অংশ ভাঙ্গা। তখন থেকেই এই মসজিদের নাম হয় ভাঙ্গা মসজিদ কিংবা গায়েবী মসজিদ। সেই সময় সেখানে মসজিদ নির্মাণে বিভিন্ন সরঞ্জমাদিও পাওয়া যায়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো হারিয়ে গেছে। তবে পরবর্তীকালে এই মসজিদটি সংস্কার করা হয়।

তথ্যসূত্র: একুশে টেলিভিশন

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...