The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষুধার কষ্টে পড়েছে খাদ্য-কর্মীরা

করোনার কারণে কর্মঘণ্টা কমানো হয়েছে, বেতন হয়ে গেছে অর্ধেক, সংসার চালাতে গ্রিন বে-র এক ফাস্ট ফুড রেস্তোঁরায় কাজ নিতে হচ্ছে উইসকনসিনের কর্মীদের

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ করোনা সংকট শুরুর পর হতে ভীষণ কষ্টে দিন যাপন করছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য-কর্মীরা। আগে পিৎজা কারখানায় কাজ করেই চলে যেতো তাদের সংসার।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষুধার কষ্টে পড়েছে খাদ্য-কর্মীরা 1

করোনার কারণে কর্মঘণ্টা কমানো হয়েছে, বেতন হয়ে গেছে অর্ধেক, সংসার চালাতে গ্রিন বে-র এক ফাস্ট ফুড রেস্তোঁরায় কাজ নিতে হচ্ছে উইসকনসিনের কর্মীদেরকে। ৩৫ বছর বয়সী নারী ইয়েসিনার তারপরও সংসার তবু চলে না। দানের খাবার নিয়ে ট্রাক এসে থামলেই ছুটে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হয় তাকেও।

উইসকনসিনকেন্দ্রিক খাদ্য সহায়তা সংস্থা ক্রুসেডার অফ জাস্টিকা পূর্বে দিনে যেখানে ১২৫টি পরিবারকে খাবার দিতো, সেখানে করোনা সংকট শুরুর পর হতে তাদের দিতে হচ্ছে তিন হাজার পরিবারকে।

ফিডিং অ্যামেরিকা নামে একটি সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, করোনা সংকটের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৫ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ খাদ্যসংকটে পড়েছে। এই সংকট সবচেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে নর্থ ডাকোটা, মিনেসোটা ও উইসকনসিনে।

গত জুন হতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে করোনা ভাইরাস ফুড অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম (সিএফএপি) হতে সরাসরি দেওয়া এই অর্থের বণ্টন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। উইসকনসিনে শতকরা ৯২ ভাগ কৃষক যে অর্থ পেয়েছেন তা খামার চালানোর একমাসের খরচের চেয়েও অনেক কম।

যে কারণে কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা অসন্তোষ। আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

গত সোমবার উইসকনসিনে এক মতামত জরিপ চালিয়েছিল রয়টার্স/ইপসোস। সেখানে ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জার বাইডেন। ট্রাম্প পেয়েছেন ৪৪ ভাগ ভোট।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্যপণ্যের দামও দিন দিন বাড়ছে। গত জুনে রুটির দাম বেড়ে যায় শতকরা ২০ ভাগ ও মাংসের দাম ১৭ ভাগ বাড়ে।

ইউএফডাব্লিউ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডায়ানা টেলেফসন মনে করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে খাদ্যসংকটের অন্যতম কারণই হলো সরকারের অর্থ এবং খাদ্য সহায়তা সবার কাছে না পৌঁছানো।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...