The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

দায়িত্ব ছাড়ার পর ট্রাম্প কী নিজ পেশায় ফিরে যাবেন?

নিয়ম অনুযায়ী জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখের পর আর প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইটহাউজে থাকার কোনোই সুযোগ নেই তার

Mandatory Credit: Photo by Evan Vucci/AP/Shutterstock (10434333bm) Donald Trump, Sauli Niinisto. President Donald Trump speaks during a meeting with Finnish President Sauli Niinisto in the Oval Office of the White House, in Washington Trump, Washington, USA - 02 Oct 2019

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ একেবারেই সময় ফুরিয়ে আসছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে বিপুল ভোটে হেরে যান তিনি। দায়িত্ব ছাড়ার পর ট্রাম্প কী নিজ পেশায় ফিরে যাবেন?

দায়িত্ব ছাড়ার পর ট্রাম্প কী নিজ পেশায় ফিরে যাবেন? 1

নিয়ম অনুযায়ী জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখের পর আর প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইটহাউজে থাকার কোনোই সুযোগ নেই তার। যদিও এখন পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে পরাজয় মেনে নেননি। উল্টো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি বলেছেন, “উই উইল উইন”! ডোনাল্ড ট্রাম্প মুখে যা-ই বলুন না কেনো, অবশ্যই ক্ষমতা তাকে ছাড়তেই হবে। জোর করে ক্ষমতায় থাকার মতো বিপর্যয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঘটার সম্ভাবনা খুবই কম। ক্ষমতা ছাড়ার পর ট্রাম্প তাহলে কী করবেন, তা নিয়ে নানা রকম জল্পনার কথাও শোনা যাচ্ছে ইতিমধ্যেই।

ক্ষমতা ছাড়ার পর ট্রাম্প কী সেই আগের মতো মোটিভেশনাল বক্তা হয়ে যাবেন? নাকি স্মৃতিকথা লেখাতে মনোযোগ দিবেন, নাকি একটি প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরির কথা ভাবছেন তিনি? নাকি তার ব্যবসায় মনোযোগ দিবেন? এ রকম নানা প্রশ্ন ঘুরছে সকলের মনে।

যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেমি কার্টার নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন মানবিক দায়িত্ব পালনে, অপর দিকে জর্জ ডব্লিউ বুশ বেছে নিয়েছেন ছবি আঁকাআঁকির মতো কাজে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প যেহেতু কখনই তাদের মতো প্রথাগত কোনো রাজনীতিক ছিলেন না, তিনি হয়তো অন্য সাবেক প্রেসিডেন্টদের মতো প্রথাগত কিছু বেছে নিবেন না।

নর্থওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কেলগ স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের বিপণন বিষয়ক অধ্যাপক টিম চকিন্স মনে করেন, “প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড অনেক ইতিহাসই লিখেছেন নতুন করে। সুতরাং এমন কিছু ভাবার কোনো রকম কারণই নেই যে, এর আগে সাবেক প্রেসিডেন্টদের আমরা যা করতে দেখেছি তিনিও ঠিক তাই করবেন।”

অনেকেই ভাবছেন এবারের নির্বাচনে হেরে ট্রাম্প হয়তো রণে ভঙ্গ দিবেন।তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প হয়তো আবারও নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে কোনো ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। তবে এই দুইবারই যে পরপর দুইবার হতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই দেশটির সংবিধানে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের একমাত্র প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড চার বছরের বিরতি দিয়ে দুইবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৮৮৫ সালে প্রথমবার নির্বাচিত হয়ে ১৮৮৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। এরপরের মেয়াদে তখন দায়িত্ব পান বেঞ্জামিন হ্যারিসন। ১৮৯৩ সালে গিয়ে আবারও ক্ষমতা পান গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড।

সুতরাং ট্রাম্পও এই রকম কিছু করার চেষ্টা হয়তো করতে পারেন। যারা ভাবছেন এই নির্বাচন হেরে যাওয়ার পর ট্রাম্প তার রাজনৈতিক জীবনের হয়তো ইতি টানবেন, ট্রাম্প তাদেরকে ভুল প্রমাণ করে আগামী নির্বাচনের প্রার্থীতা নেওয়ার চেষ্টাও করতে পারেন।

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিলো একজন রিয়াল এস্টেট মুঘল হিসেবে। নিজ দেশে তো বটেই, ভারত, তুরস্ক, ফিলিপিন্স, দুবাই এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশে রয়েছে তার বিপুল সম্পত্তি।

হোটেল ব্যবসার পাশাপাশি তার রয়েছে বেশ কয়েকটি গলফ কোর্সও। প্রতি বছর এই সব সম্পত্তির ভাড়া হিসেবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করেন তিনি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্গানাইজেশনের মোট সম্পদের পরিমাণ কতো, ট্রাম্প নিজও হয়তো তা জানেন না। নিজের এই ব্যবসায়িক সম্রাজ্যের দিকে গত চার বছরে তেমন কোনো মনোযোগই দিতে পারেননি তিনি। তবে এখন যেহেতু রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদটি নিয়ে তার আর মাথাব্যথা থাকছে না, সেহেতু আবারও নিজের সম্রাজ্যে ফিরে যেতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচন করার পূর্বেও টিভিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যাপক জনপ্রিয়তা ছিলো। সেই জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে আবারও টিভির দিকেও ঝুঁকতে পারেন তিনি। তবে এবার আর রিয়েলিটি শো কিংবা এ রকম কিছু নয়, ট্রাম্প দিতে পারেন নিউজ চ্যানেলও। হয়তো কোনো প্রতিষ্ঠিত চ্যানেলের সঙ্গে যুক্তও হতে পারেন তিনি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দর্শকসংখ্যা হতে পারে ঈর্ষণীয়। এমনিতেও তিনি হতে যাচ্ছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট, তার উপর মানুষকে বিনোদিত করার ইচ্ছাতেও ডোনাল্ড ট্রাম্প অন্য অনেকের চেয়ে বেশ এগিয়ে থাকবেন সেটিই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...