The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

গাড়ির পছন্দমতো নম্বর পেতে দেড় কোটি টাকা খরচ করলেন এক ব্যবসায়ী!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ রং, মডেল বা ফিচার এসব পছন্দ করেই মানুষ গাড়ি কিনে থাকেন। অনেকেই আবার পছন্দ মতো গাড়ির নম্বর পেতে এগিয়ে থাকেন। তবে পছন্দের মতো নাম্বার পেতে কোটি টাকা খরচ করতেও দ্বিধা করলেন না এক ব্রিটিশ নাগরিক!

গাড়ির পছন্দমতো নম্বর পেতে দেড় কোটি টাকা খরচ করলেন এক ব্যবসায়ী! 1

নিউজ এইটিন জানিয়েছেঠ, সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের এক ব্যবসায়ী পছন্দের নম্বর অনুযায়ী গাড়ির নেমপ্লেট পেতে খরচ করেছেন প্রায় এক লাখ ২৯ হাজার পাউন্ড, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় দেড় কোটি টাকার কাছাকাছি।

গাড়ির নম্বর হিসেবে ওই ব্যবসায়ীর পছন্দ হলো- O 10, যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তার পারিবারিক আবেগ। মোটর ওয়ান ডটকম সূত্রে জানা যায় যে, সরকারি নিলাম হতে ওই নম্বরের গাড়ির নেমপ্লেট কেনেন বার্মিংহামের থম্পসন পরিবারের জনৈক ব্যক্তি।

নম্বরটির সঙ্গে ওই পরিবারের শতবর্ষের স্মৃতির সঙ্গে নাকি জড়িত। ১৯০২ সালে বার্মিংহামে তখন গাড়ির নম্বর বিলি করেছিল সরকারি কর্তৃপক্ষ। সেই সময় ব্যবসায়ী চার্লস থম্পসন ছিলেন ১০ নম্বর লাইনে। তাই তার ভাগ্যে এসে পড়েছিল এই O 10 নম্বরওয়ালা নেমপ্লেটটি।

এই নম্বরওয়ালা গাড়িতে করেই নাকি চার্লস গ্রেটার বার্মিংহাম এলাকায় পাইকারি মুদি পণ্য সরবরাহ করতেন। ১৯৫৫ সালে চার্লসের মৃত্যুতে এই নম্বরওয়ালা গাড়ির মালিক হন তাইর সন্তান ব্যারি। তিনি এই গাড়িতে করেই নিকটবর্তী অঞ্চলে কাঠ সরবরাহ করতেন। এভাবেই ধীরে ধীরে ওই নম্বরওয়ালা গাড়ির সূত্রে তাদের ব্যবসার পসার ঘটতে থাকে।

যদিও ২০১৭ সালে ব্যারির মৃত্যুর পর সরকারি কর্তৃপক্ষ থম্পসন পরিবারকে রিটেনশন সার্টিফিকেটও ধরিয়ে দেয়। পরিবারটির হাত থেকে ওই নম্বরও চলে যায়।

তবে এই মাসে আয়োজিত এক নিলামে থম্পসন পরিবারেরই এক উত্তরাধিকারী এই নম্বরটি আবার কিনে নেন। নম্বরটি পেতে বিপুল অর্থ খরচকারী ওই ব্যক্তির নাম অবশ্য প্রকাশ করা হয়নি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...