The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

১ জুলাই সব চালু সেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপারেটরদের মাধ্যমে নিবন্ধন হয়ে যাবে

বর্তমানে যে হ্যান্ডসেটগুলো গ্রাহকের হাতে রয়েছে তা নিয়ে জনমনে ধোঁয়াশা তৈরি হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এ বছরের ১ জুলাই হতে সব অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট বন্ধ হবে বলে জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যামসুন্দর শিকদার। এতে বর্তমানে যে হ্যান্ডসেটগুলো গ্রাহকের হাতে রয়েছে তা নিয়ে জনমনে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। পরে জানানো হয়েছে, ১ জুলাই সব চালু সেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপারেটরদের মাধ্যমে নিবন্ধন হয়ে যাবে।

১ জুলাই সব চালু সেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপারেটরদের মাধ্যমে নিবন্ধন হয়ে যাবে 1

বর্তমানে যেসব অবৈধ হ্যান্ডসেটে সংযোগ চালু রয়েছে সেগুলো নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হবে। গত ৭ জানুয়ারি রাজধানীর রমনায় বিটিআরসি কার্যালয়ে টেলিকম সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিটিআরসির চেয়ারম্যান বলেছেন, আগামী ১ জুলাই সব চালু সেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপারেটরদের মাধ্যমে নিবন্ধন হয়ে যাবে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেছেন, আমরা গ্রাহকদের কোনো সমস্যায় ফেলতে চাই না। গ্রাহকদের হাতে থাকা হ্যান্ডসেটগুলোকে অটোমেটিক সিস্টেমে নিবন্ধন করতে চাই। তবে নতুন হ্যান্ডসেট যেগুলো আসবে সেগুলো অবশ্যই নিবন্ধন হয়ে তারপরেই আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো ১৬ জানুয়ারি ম্যানুয়ালি আমাদের জানাবে নতুন কোন হ্যান্ডসেটগুলো তাদের নেটওয়ার্কে রয়েছে। এগুলো ম্যানুয়ালি অননেট চেক করে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে জানানো হবে সেটটি বৈধ নাকি অবৈধ। সে হিসেবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

অবৈধ মোবাইল সেট বন্ধ এবং বৈধ সেটের নিবন্ধনে ডিসেম্বরে বিটিআরসির সঙ্গে চুক্তি করে দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ১২০ কার্যদিবসের মধ্যে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার্ড (এনইআইআর) সিস্টেম চালু করতে হবে তাদের।

বিটিআরসির তথ্যমতে জানা যায়, এ পর্যন্ত প্রায় ১৪ কোটি আইএমআই নম্বর ও ৭ কোটি মোবাইল সেটের তথ্য নক অটোমেশন অ্যান্ড আইএমইআই ডেটাবেজ (এনএআইডি) সিস্টেমে সংযোজিত হয়েছে। এই সিস্টেমের আইএমইআইগুলো, মোবাইল অপারেটরের ইআইআর ও বিটিআরসিতে স্থাপিত জাতীয় পর্যায়ের কেন্দ্রীয় এনইআইআর একটি সমন্বিত সিস্টেম হিসেবেই কাজ করবে। এনইআইআর সিস্টেমটি সরাসরি প্রত্যেক মোবাইল অপারেটরের নিজ নিজ ইআইআরের সঙ্গেও সংযুক্ত থাকবে।

গ্রাহকদের মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়েই চালু হবে। দেশে বর্তমানে নিবন্ধনহীন মোবাইলের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি।

অপরদিকে দেশের বাইরে থেকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে কেনা হ্যান্ডসেট কিংবা উপহার হিসেবে আসা স্মার্টফোনগুলো গ্রাহকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এনইআইআর এর ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে কেনার রসিদ যাচাই করে ও যেসব সেট উপহারের যথেষ্ট প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে বিটিআরসির সিদ্ধান্তে এনইআইআরে সক্রিয় করা হবে বলে জানানো হয়।

অপারেটরদের ইআইআর তৈরির পর সেটি জাতীয় ইআইআর (এনইআইআর) এ সংযুক্ত হবে। যে কারণে অপারেটরদের ইআইআর খুব সহজেই নজরদারিও করতে পারবে বিটিআরসি। ইআইআর এবং এনইআইআর বাস্তব সময়ে সিঙ্ক্রোনাইজেশন হবে অর্থাৎ ইআইআরে ডেটা সংযুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা এনইআইআরেও চলে আসবে।

সরকারি কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও ব্যবসায়ীদের হিসাব মতে, দেশে বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি অবৈধ হ্যান্ডসেট মানুষের হাতে রয়েছে। নকল মোবাইল সেট বৈধ করার সুযোগ, অবৈধ আমদানি, চুরি, স্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং নকল হ্যান্ডসেট প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত, রাজস্ব ক্ষতি ঠেকাতে এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা আগে থেকেই জানিয়ে আসছে বিটিআরসি। খসড়া নির্দেশনায় বলা হয়েছিল যে, অপারেটররা তাদের লাইসেন্স নীতিমালা অনুযায়ী সব মোবাইল হ্যান্ডসেটের ইএমআই নম্বর দিয়ে এই ডেটাবেজ তৈরি করবেন।

অপরদিকে, বিটিআরসি বার বার সতর্কতা জানিয়ে বলে আসছে যে, মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে আইএমইআইর মাধ্যমে সেটটির বৈধতা যাচাই করে তবেই নিতে হবে। বিক্রেতার কাছ থেকে হ্যান্ডসেট কেনার রশিদও নিতে হবে।

মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাইয়ের পদ্ধতি হলো মোবাইল ফোনের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে KYD স্পেস ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখে 16002 নম্বরে তা পাঠিয়ে দিতে হবে। মোবাইল ফোনের প্যাকেটে প্রিন্টেড স্টিকার হতে অথবা *#06# ডায়াল করার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটের আইএমইআই জানা সম্ভব হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...