The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাঁচামরিচ!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ রান্নার অন্যতম প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো কাঁচামরিচ। রান্নায় বা সালাদে, আবার কেও কেও ভাতের সঙ্গে আস্ত কাঁচামরিচ খেতেও পছন্দ করেন। আজ জেনে নিন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাঁচামরিচ কতোটা উপকারী!

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাঁচামরিচ! 1

আমরা অনেকেই জানি না যে, এই কাঁচামরিচে রয়েছে অনেক গুণ। কাঁচামরিচে থাকা রাসায়নিক উপাদানগুলি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং সেইসঙ্গে কাটাছেড়ার ক্ষেত্রে রক্তপাতও বন্ধ করে। তবে এখানেই কিন্তু শেষ নয়।

রয়েছে কাঁচামরিচের আরও নানা উপকারিতা-

# কাঁচামরিচ খেলে যে গরম অনুভূত হয় তা ব্যথা উপশম করতেও অত্যন্ত কার্যকরী।

# কাঁচামরিচে থাকা ‘ক্যাপসিসিন’ নাকে রক্তপ্রবাহ সুগম করে থাকে। যা সর্দি-কাশি ও সাইনাসের জটিলতা সারাতেও উপকারী।

# প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে কাঁচামরিচে। সে কারণে কাঁচামরিচ ঠাণ্ডা জায়গায় রাখা উচিত। কারণ হলো তাপ, আলো ও বাতাসের সংস্পর্শে আসলে এই ভিটামিনটি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

# ‘এন্ডোরফিনস’ নামক রাসায়নিক উপাদান নিঃসৃত হয় এই কাঁচামরিচ থেকে। যা মন ভালো রাখার জন্য আরও এনজাইম বৃদ্ধি করে।

# ডায়বেটিস রোগীদের জন্য কাঁচামরিচ অত্যন্ত উপকারী একটি জিনিস। কারণ হলো এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

# আয়রণের প্রাকৃতিক উৎসের মধ্যে অন্যতম হলো কাঁচামরিচ। তাই যাদের শরীরে আয়রণের অভাব বিদ্যমান এবং ঝাল সহ্য করতে পারেন, তাদের কাঁচামরিচের উপর জোর দেওয়া দরকার। দৃষ্টিশক্তির জন্যেও কাঁচামরিচ অত্যন্ত উপকারী।

# প্রচুর ব্যাকটেরিয়া রোধকারী উপাদান থাকে কাঁচামরিচে। ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ রোধ করতেও এই উপাদানগুলি উপকারী।

# কাঁচামরিচে উচ্চমাত্রায় থাকা ভিটামিন–এ হাড়, দাঁত এবং মিউকাস ঝিল্লিকে আরও শক্ত করে।

# উচ্চমাত্রায় ‘বেটা–ক্যারোটিন’ নামক অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট উপস্থিত থাকে কাঁচামরিচে। এটি হৃদযন্ত্রের জন্যও অত্যন্ত উপকারী।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...