The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের ইন্তেকাল

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ইন্তেকাল করেছেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের ইন্তেকাল 1

করোনা আক্রান্ত হলে ইব্রাহিম খালেদকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসার পর করোনা নেগেটিভ হলে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতিও হতে থাকে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আনার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক অবনতি হলে তাকে গত রবিবার দুপুরের দিকে লাইফ সাপোর্টে নেন চিকিৎসকরা।

জীবনের বার্ধক্যবেলাতেও মনের বয়সকে বাড়তে দেননি খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। উচ্ছল, প্রাণবন্ত, মননে তরুণ খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ব্যাংক, পুঁজিবাজার, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জটিল হিসাব নিকাশ করেছেন সারা জীবন। তার জীবনটা পার করেছেন সহজ সরলভাবে। কর্মজীবনের তুমুল ব্যস্ততার মধ্যেও পছন্দ করতেন শিশু কিশোরদের সান্নিধ্য। জীবনের শেষ পর্যন্ত অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত ছিলেন কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার আসরের সঙ্গে।

খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৬৩ সালে। পূবালী ব্যাংকসহ ৪টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পাশাপাশি সামলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরের দায়িত্ব। ব্যাংকটির স্বতন্ত্র পরিচালক ছিলেন মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত। তাঁর বহুমুখী কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিলো ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে ধসের পর, তদন্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সুশাসন নিয়েও গণমাধ্যমে সরব ছিলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভুগোলে মাস্টার্স ও আইবিএ থেকে এমবিএ করা খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ১৯৪১ সালের ৪ঠা জুলাই, গোপালগঞ্জে জন্মেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে তিনি মারা গেছেন। সকাল ১১ টায় তাঁর মরদেহ নেওয়া হবে কচিকাচার মেলায়।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...