The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

যোগ ব্যায়াম ক্যান্সার রোগীদের বাঁচাতে সাহায্য করে!

সপ্তাহে অন্ততপক্ষে দুই বার ৭৫ মিনিট করে কম থেকে মধ্যম মাত্রার যোগ ব্যায়াম রোগীর সামাজিক, শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উন্নতির সাথে সাথে ক্লান্তি দূর করে থাকে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এবার গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যোগ ব্যায়াম মানসিক অবস্থার উন্নতি ঘটিয়ে সুনিদ্রা দিয়ে থাকে। গবেষকরা আরও দেখেছেন, কম থেকে মধ্যম মাত্রার যোগ ব্যায়াম অনিদ্রা ও ক্লান্তি দূর ও স্তন ক্যান্সার রোগীদের বাঁচাতে সাহায্য করে।

যোগ ব্যায়াম ক্যান্সার রোগীদের বাঁচাতে সাহায্য করে! 1

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সপ্তাহে অন্ততপক্ষে দুই বার ৭৫ মিনিট করে কম থেকে মধ্যম মাত্রার যোগ ব্যায়াম রোগীর সামাজিক, শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উন্নতির সাথে সাথে ক্লান্তি দূর করে থাকে। বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, ৩০% হতে ৬০% ক্যান্সার রোগী অনিদ্রা থেকেই আক্রান্ত হয়ে থাকেন। ক্যান্সার এর বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও মরণ ভীতি থেকেও এই অনিদ্রা হতে পারে। তাই গবেষকরা বলেছেন, যোগ ব্যায়াম স্তন ক্যান্সার রোগীদের জন্য খুবই উপকারি।

নিউইয়র্কের রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ২৪৫ জন স্তন ক্যান্সারে (ক্যান্সার যাদের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে) আক্রান্ত রোগীদের উপর গবেষণা করেছিলেন যাদের গড় বয়স ৫৪ বছর। তারা সকলেই অনিদ্রায় ভুগছিলেন। তাদের সবাইকেই তাদের শক্তি, ঘুমের অবস্থা, ব্যথার তীব্রতা, সামাজিক অবস্থা, শারীরিক সম্পর্ক, মানসিক অবস্থা এবং কাজ করার মনোবল নিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল।

এরপর ওই নারীদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যারা যোগব্যায়াম করেছিল তাদেরকে এক ভাগে ভাগ করা হয় এবং অন্য ভাগে ছিল যারা যোগব্যায়াম করেই নি। কোর্সটিতে শ্বাস-ব্যায়াম, ধ্যান ও যোগ ব্যায়াম অন্তর্ভুক্ত ছিল। চার সপ্তাহ পর সবাইকে আবারও তাদের লাইফ স্টাইল নিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। যারা যোগ ব্যায়াম করেছিল তাদের অনিদ্রা ও ক্লান্তি দূর হয়ে গিয়েছিল। যে কারণে তারা ভালো ঘুমাতে পেরেছিলেন। এতে করে গবেষকরা মনে করেন, যোগ ব্যায়াম খুবই উপকারি বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তিরা নিয়মিতভাবে যোগ ব্যায়াম করলে তাদের বড়ই উপকার সাধিত হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...