The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

প্রতিদিন অন্তত একটি আপেল খাওয়া উচিত

দেহের সুস্থতার জন্য আপেলের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে অনেক বেশি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আপেল সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই, এটি খুব জনপ্রিয় একটি ফল। প্রায় বারমাসই বাজারে পাওয়া যায় আপেল। আপেল বহু উপকারী একটি ফল, তাই প্রতিদিন অন্তত একটি আপেল খাওয়া উচিত।

প্রতিদিন অন্তত একটি আপেল খাওয়া উচিত 1

দেহের সুস্থতার জন্য আপেলের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে অনেক বেশি। প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে হয়তো কখনই আপনার চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। এই যাবত বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে, দিনে অন্তত একটি করে আপেল খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে। যে কারণে প্রতিদিন একটি করে আপেল খাওয়া উচিত, সে সম্পর্কে আসুন আজ জেনে নিই।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে আপেল

আমাদের দেহে একটি করে আপেল প্রতিদিন ১০% ভিটামিন সি এবং ফাইবার এর চাহিদা পূরণ করে থাকে। আপেলের ভিটামিন সি আমাদের দেহে ইমিউন সিস্টেম ও অন্ননালীতে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। তাই চিকিৎসকদের মতামত হলো, প্রতিদিন খাবারের তালিকায় অন্তত একটি আপেল রাখুন।

দেহের বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করে

ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে, আপেল দেহের বাড়তি মেদ কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। কোনো মানুষের যদি খুব বেশি মেদ জমে যায় তাহলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই ডায়েট করতে চাইবেন, তখন যদি প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় একটি করে আপেল রাখেন তাহলে তার শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করবে। তাই দেহের বাড়তি মেদ কমাতে প্রতিদিন অবশ্যই একটি করে আপেল খাওয়া আমাদের একান্ত দরকার।

কোনো কোলেস্টোরল নেই আপেলে

কোন ধরণের চিন্তা ছাড়াই আপনি আপেল খেতে পারেন, কারণ হলো আপেলে কোনো রকম কোলেস্টোরল নেই। প্রতিদিন একটি করে আপেল আপনার শরীরের ফাইবার চাহিদাও পূরণ করবে।

মেধাশক্তি বৃদ্ধির জন্য আপেল

আপেল আপনার মেধাশক্তি বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করবে। তাই প্রতিদিন একটি করে হলেও আপেল খেতে কখনও ভুলবেন না।

স্ট্রোক করার ঝুঁকি কমিয়ে দেয় আপেল

সাদা ধরণের মাংসল কোনো ফল যেমন আপেল স্ট্রোক করার ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। একটি গবেষণায় দেখা যায় যে, কেও যদি সাদা বর্ণের মাংসল যে কোনো ফল বা সবজি বেশি খান তাহলে স্ট্রোক করার ৫০% ঝুঁকি প্রায় ৫০% কমে যাবে!

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...