The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

কঠোর লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যা বন্ধ ও খোলা থাকবে

এই কঠোর লকডাউনের বিষয়ে আজ বুধবার (৩০ জুন) প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো দেশজুড়ে। এমন অবস্থায় সংক্রমণ প্রতিরোধে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) হতে আগামী ৭ দিনের জন্য কঠোর লকডাউনে ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

কঠোর লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যা বন্ধ ও খোলা থাকবে 1

এই কঠোর লকডাউনের বিষয়ে আজ বুধবার (৩০ জুন) প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে কঠোর লকডাউনের মধ্যে যা খোলা বা বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে:

এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে, তবে কতোটা পর্যন্ত সেবা চালু রাখা হবে সেই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে ব্যাংকগুলো।

আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবা:

যেমন কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) খাদ্যশস্য এবং খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন এবং ইন্টারনেট সার্ভিস খোলা থাকবে। এছাড়াও বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ফার্মেসিসহ জরুরি পণ্য এবং সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে যাতায়াত করতে পারবেন। কোনো বিধি নিষেধ ছাড়া যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে পারবেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

শিল্প-কারখানা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

খাবারের দোকান, হোটেল রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রি করতে পারবে। তবে কেও হোটেলের মধ্যে বসে খেতে পারবে না। চালু থাকবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের চলাচল।

কঠোর এই লকডাউনে যা বন্ধ থাকবে

কঠোর এই লকডাউনে সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে। সড়ক রেল এবং নৌ পথে গণপরিবহন ও অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল বন্ধ থাকবে।

শপিংমলসহ সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে। পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। সকল প্রকার জনসমাবেশ এবং সামাজিক অনুষ্ঠান (জন্মদিন পালন, বিয়ে, পিকনিক) বন্ধ থাকবে। বের হওয়া যাবে না ঘর থেকে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...