The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নিতে যা করবেন

তৈলাক্ত ত্বকের কারণে ব্রণের সমস্যাও লেগেই থাকে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ তৈলাক্ত ত্বক নিয়ে সমস্যায় থাকেন অনেকেই। কারণ এই ত্বকের যত্ন অনেক বেশি করে নিতে হয়। এই ধরনের ত্বকে অল্পতেই ধুলো-বালি আটকে যাওয়ার কারণে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বেশি হয়ে থাকে। তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নেওয়ার কিছু ট্রিপস আজ জেনে নিন।

তৈলাক্ত ত্বকের কারণে ব্রণের সমস্যাও লেগেই থাকে। নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে ব্রণসহ আরও নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই ধরনের ত্বকে সব রকম উপাদান ব্যবহার উপযোগীও নয়। তাই যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে হতে হবে সতর্ক।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে একটি অন্যতম উপাদানই হলো বেসন। এর সঙ্গে সামান্য টক দই এবং হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এবার তা মুখে মেখে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। এতে করে ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর হয়ে ত্বক হয়ে উঠবে আরও উজ্জ্বল।

শসার রসে রূপচর্চা

প্রতিদিন মুখ পরিষ্কার করতে পারে শসার রস দিয়ে। এতে করে ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর হয়ে যাবে। চাইলেই শসার রসের সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন এটি।

গোলাপজল এবং মুলতানি মাটি

সামান্য গোলাপজল এবং মুলতানি মাটি একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার সেই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে পনেরো মিনিট পরে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর করে এটি আরও মসৃণ করে তুলবে ত্বককে। ইচ্ছে করলে মুলতানি মাটির সঙ্গে চন্দনের গুঁড়া মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। এতেও ত্বকের তৈলাক্ততা দূর হয়ে যাবে।

লোমকূপ বড় হলে করণীয়

অনেক সময় তৈলাক্ত ত্বকে লোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমন সমস্যার সমাধান করতে ব্যবহার করতে পারেন ডিমের সাদা অংশ। সেজন্য প্রথমে ডিমের সাদা অংশ মুখে লাগিয়ে তার উপর টিস্যু পেপার চেপে রেখে দিন ১০ মিনিট মতো। তারপর শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার করে নিন। তারপর একটি সুতি কাপড়ে বরফের টুকরা নিয়ে মুখে আলতো করে বুলিয়ে নিন। এতেও লোমকূপ সহজেই বন্ধ হতে পারে।

অ্যালোভেরা জেলের ব্যবহার

অ্যালোভেরা জেল নানাভাবে ত্বকের উপকার করতে পারে। তৈলাক্ত ত্বক পরিষ্কার করার জন্য অ্যালোভেরা জেল খুবই উপকারী। মুখ পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করতে পারেন এই জেলটি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...