The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

নতুন বিনিয়োগ পেয়েছে প্রোটিন মার্কেট

নিরাপদ ও নির্ভেজাল প্রোটিন জাতীয় খাবারের গুরুত্ব অনুধাবন ও খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে প্রোটিন মার্কেট

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রোটিন জাতীয় খাবারকে নিরাপদে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রাথমিক ভাবনা থেকে শুরু হয়েছে প্রোটিন মার্কেট এর কর্মকাণ্ড।

নতুন বিনিয়োগ পেয়েছে প্রোটিন মার্কেট 1

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শুধুমাত্র প্রাণীজ প্রোটিন নয়, থাকতে পারে অপ্রাণীজ প্রোটিনও। নিরাপদ ও নির্ভেজাল প্রোটিন জাতীয় খাবারের গুরুত্ব অনুধাবন ও খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে প্রোটিন মার্কেট। আর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশী জাতের মুরগী, হাঁস, গরু, নিরাপদ চাষের মাছ চাহিদা মাফিক সংগ্রহ করে প্রোটিন মার্কেট পৌঁছে দিচ্ছে মানুষের দোর গোঁড়ায়। একই সাথে চলছে উৎপাদন প্রক্রিয়াও। ফ্রি রেঞ্জে ফার্মিং পদ্ধতিতে মুরগীর উৎপাদন বাণিজ্যিক আকারে করার প্রয়াসে যুক্ত করা হচ্ছে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারীদের। চলছে প্রাকৃতিক উপায়ে মাছ চাষের প্রচেষ্টা। নিরাপদ মাংস উৎপাদনে খামারীদের উদ্বুদ্ধ করে যোগান দেওয়া হচ্ছে নিরাপদ গরুর মাংসের চাহিদা। এছাড়া সামুদ্রিক মাছ সরবরাহ ও অর্গানিক শুঁটকি উৎপাদনরে মাধ্যমে প্রাণীজ আমিষের চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। মাছের রাজা ইলিশকে নিয়ে চলছে ইলিশ কার্নিভাল ও রেসিপি কন্টেস্ট যা নি:সন্দেহে একটি ভিন্নধর্মি আয়োজন।

প্রোটিন মার্কেট এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিউল আলম বলেন, দেশে নিরাপদ মাছ মাংস নিয়ে জনমনে নানা রকম সংশয় রয়েছে। রয়েছে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রসেসিং না করা নিয়ে অসন্তোষ। আমরা মানুষকে স্বাস্থ্যগত দিক থেকে সচেতন করে তোলার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে কাজ করছি এবং সেই সাথে নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি নিারাপদ ও স্বাস্থ্যকর উপায়ে প্রসেসিং, পরিবেশন সহ মান সম্মত প্যাকেজিং ও নিরাপদ ডেলিভারি ব্যবস্থা।

প্রোটিন মার্কেট এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা শারমিন সুলতানা বলেন, দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা সুদূর প্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসাবে প্রী-সীড রাউন্ডে বিনিয়োগ নিতে আগ্রহী হই এবং এই ক্ষেত্রে আমরা দেশীয় ভিশনারী বিনিয়োগকারীদেরকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছি এবং আমাদের সাথে এঞ্জেল ইনভস্টের হিসাবে যুক্ত হয়েছেন কয়েকজন স্বপ্নবাজ তরুণ বিনিয়োগকারী।

নতুন বিনিয়োগকারী গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন “ডাব্লিউপি ডেভেলপার” এবং “এ আর কম” এর প্রতিষ্ঠাতা এম আসিফ রহমান। প্রোটিন মার্কেটে আরও বিনিয়োগ করছেন “ডাব্লিউপি ডেভেলপার” এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান রূপক, ইফলি’র কো-ফাউন্ডার ও সিওও জাহাঙ্গীর আলম, “অথ ল্যাব” এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান।

এম আসিফ রহমান দীর্ঘদিন থেকে দেশের প্রযুক্তি খাতে সফলতার সাথে ব্যবসা করে আসছেন। প্রোটিন মার্কেটে বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রোটিন মার্কেটের ব্যবসায়িক ধারণাটিই নতুন। কিন্তু মানুষ এটিকে গ্রহণ করছে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য এমন একটি উদ্যোগ খুবই প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানটির গত এক বছরের কার্যক্রম, পরিকল্পনাগুলো আমরা ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। সবকিছু মিলিয়ে আমরা মনে করছি প্রোটিন মার্কেটের সম্ভাবনা দারুণ। ভাল বিনিয়োগ পেলে একটি টেকসই বিজনেস মডেল হিসেবে দাঁড়াতে পারে এই প্রতিষ্ঠানটি।

অন্যান্য বিনিয়োগকারীরা বলেন, যে সুদূরপ্রসারী ভাবনা নিয়ে প্রোটিন মার্কেট পথ চলা শুরু করেছে তা সত্যিই অসাধারণ। বাণিজ্যিক দিক থেকে আমরা বিশ্লেষণ করে দেখেছি প্রোটিন মার্কেট একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ। বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জনবল, ইকুইপমেন্ট, প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ বেশ কিছুখাতে অগ্রগতির লক্ষ্যে বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি ব্যবসায়িক পরিসর তো বটেই, দেশের গ্রামীণ র্অথনীতি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে সক্ষম হবে প্রোটিন মার্কেট। খবর প্রেস বিজ্ঞপ্তির।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...