The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এক প্রাণীর নাক যেনো এয়ার-কন্ডিশনার!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ যে কেও এই কথা শুনলে বিস্মিত হবেন তাতে সন্দেহ নেই। এবার এমন এক প্রাণীর খোঁজ পাওয়া গেছে যে প্রাণীর নাক রীতিমতো এয়ার-কন্ডিশনার!

এক প্রাণীর নাক যেনো এয়ার-কন্ডিশনার! 1

পৃথিবীতে বহু প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে। তবে সব প্রাণীকে আমরা চিনিও না। আবার এমন কিছু অদ্ভুত প্রাণী রয়েছে যেগুলোর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আমাদের অনেক কিছুই অজানা।

আবার অঞ্চল ভেদে বিভিন্ন প্রাণীর বৈশিষ্ট্যও পৃথক হয়ে থাকে। এমনই স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের একটি প্রাণীর নাম হলো সায়েগা অ্যান্টেলোপ, যাকে ‘সায়েগা সারং’ও বলা হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম হলো সায়েগা টাটারিকা।

বর্তমানে এই প্রাণীকে কাজাখাস্তানের বনাঞ্চলে দেখা যায়। তাছাড়াও উত্তর আমেরিকা, রাশিয়া, উজবেকিস্তান এবং মঙ্গোলিয়াতেও এই প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে।

অদ্ভুত-চতুর এই প্রাণীটি সাধারণত মানুষের দৃষ্টি এড়িয়ে চলতে বেশি পছন্দ করে। যে কারণে মানুষ এদের সচরাচর দেখতেই পায় না। ইতিপূর্বে চীন, রোমানিয়া এবং মালডোভাতেও দেখা যেতো এই প্রাণী। তবে নির্বিচারে শিকারের কারণে এইসব অঞ্চলে প্রাণীটি এখন বিলুপ্তপ্রায়।

এই অদ্ভুত প্রাণীটি দেখতে কিছুটা হরিণের মতোই। তবে অন্য সব প্রাণীর চেয়ে পৃথক নাকের জন্য, যা ঋতুভেদে আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার এয়ার-কন্ডিশনার কিংবা শীতাতপ যন্ত্রের মতোই! গ্রীষ্মকালে প্রাণীটির নাক গরম বাতাস ঠাণ্ডা করে ফুসফুসে পৌঁছে দেয়। আবার শীতকালে করে ঠিক এর উল্টো, অর্থাৎ শীতের সময় ঠাণ্ডা বাতাস উষ্ণ করে ভেতরে নেয় এই প্রাণীরা। যাকে বলা যায় তাপানুকুল পদ্ধতি।

আরও একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে এই প্রাণীর। এরা হরিণের মতোই সাধারণত বিভিন্ন উদ্ভিদের চারা এবং সবুজ ঘাস খেয়ে বেঁচে থাকে। তবে প্রাণীটি এমন কিছু উদ্ভিদের চারা খায় যা অন্য প্রাণীর জন্য সেগুলো বিষাক্ত। এরা স্থলে যেমন খুব দ্রুত দৌড়াতে পারে, ঠিক তেমনি সমান তালে জলেও পারে সাঁতার কাটতে। তবে এরা দৌড়ানোর সময় খাড়া কিংবা উঁচু জায়গা এড়িয়ে চলতে পছন্দ করে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো এতোদিন এই প্রাণীর কথা শোনা যায়নি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...