The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

চুলের যত্নে কয়েকটি হার্ব ব্যবহার

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা চুল বৃদ্ধির জন্য কতো রকম প্যাকই না ব্যবহার করি। আমরা ব্যবহার করি নানা হেয়ার ট্রিটমেন্ট। আবার খাওয়া হয় নানা ভিটামিনও। তবে চুলের যত্নে ব্যবহার করুন কয়েকটি হার্ব।

চুলের যত্নে কয়েকটি হার্ব ব্যবহার 1

তবে সবকিছু করার পরও হয়তো শেষ রক্ষা হয় না। কিছু হার্ব রয়েছে যা চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাহলে আসুন পরিচিত হই সেইসব হার্ব এর সঙ্গে।

অ্যালোভেরা: বিশেষজ্ঞরা বলেছেন অ্যালোভেরা চুলের ফলিকল বৃদ্ধি করে। অ্যালোভেরায় রয়েছে স্যালিক অ্যাসিড, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি ও অ্যান্টি বায়োটিক উপাদান যার দ্বারা চুল ময়েশ্চারাইজড করে। মাথার তালুতে অ্যালোভেরা জুস বা জেল ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এইভাবে কয়েক ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে চার বার করতে হবে।

আমলকি: আয়ুবের্দিক হেয়ার টনিক হিসেবে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। অকালপক্কতা দূর করে নতুন চুল গজাতে এটি অনেক কার্যকর। আমলকির রস ও লেবুর রস সম পরিমাণ মিশিয়ে নিন। এখন এটি চুলে ভালো করে ম্যাসাজ করে লাগান। তারপর ১৫/২০ মিনিট পর হারবাল শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এছাড়াও সারারাত শুকনো আমলকি পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে ওই পানির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটিও আপনার চুলে কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করবে।

মেথি: মেথির জুড়ি নেই খুশকি দূর করে নতুন চুল গজাতে। ২ টেবিল চামচ মেথি পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন এটি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মেথির পেস্ট মাথার তালুসহ চুলে ভালো করে লাগিয়ে রাখুন। ২৫/৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এছাড়াও মেথির পাতা বেটে নিয়ে পেস্ট করে চুলে ব্যবহার করতে পারেন। এটিও চুলে প্রাকৃতিক রং দেবে, আবার নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করবে।

মেহেদি: চুলের গোড়া মজবুত করতে মেহেদি পাতার জুড়ি নেই। এমনকি প্রাকৃতিকভাবে চুল রং করতেও এর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ২৫০ গ্রাম সরিষা তেলের সঙ্গে ৬০ গ্রাম মেহেদি পাতা দিয়ে জ্বাল দিয়ে নিন। তারপর এটি ছেঁকে একটি বোতলে ভরে রাখুন। তারপর এটি মাথায় ম্যাসাজ করে লাগান। সপ্তাহে ২ বার এই তেল ব্যবহার করতে পারেন। এরপর ভালো করে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এছাড়াও টকদই ও মেহেদি দিয়ে প্যাক করেও চুলে লাগাতে পারেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...