The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাওয়ার পেছনের কারণ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ স্পার্ম কাউন্টের উপর নির্ভর করে সন্তান উৎপাদনের বিষয়টি। যে কারণে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কমে যেতে পারে। তবে আজ জেনে নিন সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাওয়ার পেছনের কারণসমূহ।

সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাওয়ার পেছনের কারণ 1

বর্তমানে স্পার্ম কাউন্ট নিয়ে অনেক পুরুষই সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। সে জন্য তারা চিকিৎসকের কাছে ছোটাছুটি শুরু করেন। স্পার্ম কাউন্ট কমে যাওয়ার কারণে অনেক দম্পতি বাবা-মা হওয়ার সুযোগ পান না।

তবে নিজেরা একটু সচেতন হলে এই ধরনের সমস্যা এড়ানো যেতে পারে। সে জন্য অবশ্য অনেক আগেই সতর্ক হতে হবে। তা নাহলে সামনে ভয়ানক বিপদও আসতে পারে। জেনে নিন, প্রতিদিন কোন কাজগুলো সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা বা স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দিতে পারে:

অ্যালকোহল পান: অ্যালকোহল পান করার অভ্যাস থাকলে অবশ্যই সাবধান হতে হবে। টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে অ্যালকোহল যা আপনার সন্তান উৎপাদন ক্ষমতাও হ্রাস করবে। বিশেষ করে যারা অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যালকোহল পান করেন তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে।

ড্রাগ ব্যবহার: অ্যানাবলিক স্টেরয়েড পেশীর শক্তি এবং বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এতে করে অণ্ডকোষ সংকুচিত হয়ে যাওয়া এবং স্পার্ম কাউন্টও কমে যেতে পারে। অর্থাৎ মাদক গ্রহণে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে।

ধূমপান: টোব্যাকো বা ধুমপান মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এটা স্পার্ম কাউন্টও কমিয়ে দেয়। সেজন্য আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে হলেও ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে।

অতিরিক্ত ওজন: ওবেসিটি কিংবা অতিরিক্ত ওজনের কারণে স্পার্ম কাউন্ট কম হতে পারে। সেজন্য ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করতে হবে। ওজন কম রাখতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

অবসাদ: আপনি যদি ডিপ্রেশনের শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার স্পার্ম কাউন্ট কম হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে এই অবসাদ।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...