The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা জরুরি

এম. এইচ. সোহেল ॥ বার বার ঘটছে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনা। কিন্তু সঠিক তদন্ত ও তার বিচার না হওয়ায় একের পর এক ঘটে যাচ্ছে ঘটনা। একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক স্বার্থ হাাসিলের চেষ্টা করছে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা জরুরি 1

আমাদের দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশ জন্মের সময় থেকে শুরু করে সব সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে। এদেশে যাদের জন্ম তারা যে ধর্মেরই হোক না কেনো তারা এদেশের নাগরিক। তারা সমানভাবে এদেশের সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছেন। রাষ্ট্রীয়ভাবেও কখনও কোনো ধর্মকে আলাদা করে দেখা হয়নি। হিন্দু-মুসলিম, খৃস্টান, বৈধ্য সবাই আমরা ভাই ভাই। আমাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য আমরা কখনও দেখিনি।

আমরা যে যার ধর্ম পালন করে আসছি। এক জনের ধর্মে আমরা আরেকজন পালনেও সহযোগিতা করে আসছে সেই আদি কাল থেকে। সম্প্রীতির বন্ধন আমাদের মাঝে রয়েছে বহু যুগ থেকেই। কিন্তু সেই বন্ধনের মধ্যে তৃতীয় কোনো শক্তি বার বার এসে আমাদের সেই বন্ধনকে নষ্ট করে দিচ্ছে। কুমিল্লা ও তার পরের ঘটনাগুলো সম্পর্কে আমাদের আরও সজাগ হতে হবে। দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব এই বিষয়গুলো বিবেচনায় আনা। কারা ধর্মগ্রন্থকে হাতিয়া বানাচ্ছে সেই বিষয়টিও ভাবতে হবে।

তাহলে কোন সেই শক্তি? কেনোই বা বার বার ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হচ্ছে? এই প্রশ্ন সবার মনেই আসতে পারে। তবে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে সেই বিষয়টি।

স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার কুমিল্লার ঘটনার পর বলেছেন, কাওকে ছাড় দেয়া হবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরও একের পর এক মন্দির ও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে! কে বা কারা এইসব কর্মকাণ্ডের ইন্ধন যোগাচ্ছে সেটি খুঁজে বের করা আজ জরুরি হয়ে পড়েছে।

এইসব সম্প্রীতি বিনষ্টের পিছনে কারা কলকাঠি নাড়াচ্ছে সেটি খুঁজে বের করা দরকার। কারণ এটি যেমন দেশে অরাজকতার সৃষ্টি করছে তেমনি বহির্বিশ্বেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। কারণ ইসলাম কখনও এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে না।

হজরত আদম ও হাওয়া আলাইহিওয়াস সালামের সন্তান হিসেবে আল্লাহর কাছে সব মানুষের অধিকার এবং মর্যাদা সমান। কোনো ধর্মই কারও ওপর জোর-জবরদস্তিকে কখনও সমর্থন করে না। সাম্প্রদায়িত সম্প্রীতি রক্ষায় ইসলামের আদর্শ আরও সুমহান। অমুসলিমদের প্রতি বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আচরণ এবং মানসিকতায় তা স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠেছে।

ইসলাম সব ধর্মের স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করেছে। ধর্ম পালনে কেও কখনও কাওকে বাধা দেবে না। অন্য ধর্ম নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করা যাবে না মর্মেও কোরআন এর আয়াত নাজিল হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন-

‘আল্লাহকে ছেড়ে যাদের তারা (মূর্তিপূজক) ডাকে, তাদেরকে তোমরা গালি দিও না। তাহলে তারা সীমালংঘন করে অজ্ঞানতাবশত: আল্লাহকেও গালি দেবে।’ (সূরা আনয়াম : ১০৮)

কোনো মুসলিম ব্যক্তির প্রতিবেশি যদি অমুসলিম হয়, তার অধিকারের প্রতিও খেয়াল রাখা দরকার। এটিও প্রতিবেশীর হকের অন্তর্ভুক্ত একটি কাজ। আল্লাহ তাআলার ঘোষণা:

‘দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি ও তোমাদের নিজেদের দেশ থেকে বের করে দেয়নি তাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন এবং ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেননি। আল্লাহ তো ন্যায়পরায়ণদেরই ভালোবাসেন।’ (সুরা মুমতাহিনা : আয়াত ৮)

বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণ থেকে এটি সুস্পষ্ট। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস সাল্লামের কণ্ঠে ঘোষিত হয়েছে যে-

‘হে মানবমণ্ডলী! তোমাদের আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় এবং তোমাদের আদিপিতাও এক। একজন আরব একজন অনারব হতে কোনো মতেই শ্রেষ্ঠ নয়। তেমনি একজন আরবের ওপর একজন অনারবেরও কোনো শ্রেষ্ঠত্বও নেই। একজন সাদা চামড়ার মানুষ একজন কালো চামড়ার মানুষের চেয়েও শ্রেষ্ঠ নয়, আবার কালোও সাদার চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়। শ্রেষ্ঠত্বের মূল্যায়ন করতে বিচার্য বিষয় হবে, কে তাকওয়া তথা আল্লাহ এবং বান্দার হক কতদূর আদায় করলো। এর মাধ্যমেই আল্লাহর কাছে তোমাদের সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী সেই ব্যক্তি, যিনিই সর্বাপেক্ষা বেশি ধর্মপরায়ণ।’ (বায়হাকি)

সুতরাং এ থেকে স্পষ্ট বর্ণবাদ, পূঁজিবাদ, সামাজিক মর্যাদা, বংশ ইত্যাদি দ্বারা মানুষের মর্যাদার মূল্যায়ন কখনও হতে পারে না। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বংশ ইত্যাদির বিভক্তি কেবলমাত্র পরস্পরকে জানার জন্য, যাতে পরস্পরের চারিত্রিক এবং মানসিক গুণাবলি দ্বারা একে অপরের উপকার হতে পারে। এ ক্ষেত্রে মহান আল্লাহর এই ঘোষণা খুবই কার্যকরী। তিনি বলেছেন যে-

‘হে মানবজাতি! আমি পুরুষ এবং নারী থেকে তোমাদের সৃষ্টি করেছি। আমি বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং গোত্রে তোমাদের বিভক্ত করেছি যেনো তোমরা একে অপরকে চিনতে পারো’। (সুরা আল-হুজরাত : আয়াত ১৩)

পবিত্র কোরআন এর এইসব বাণী থেকে স্পষ্ট বক্তব্য হলো ইসলাম কখনও কোনো ধর্মকে অবজ্ঞা করতে শেখাইনি। কোনো ধর্মের মানুষকে ঘৃণা করতেও শেখাইনি ইসলাম। সে কারণে ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলা হয়।

কিন্তু কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে ধর্মও খাটো হচ্ছে। মানুষের লেবাস পরে এমন হীন কাজ যারা করছে তাদেরকে একদিন এর জবাব দিতে হবে। কারণ উপরওয়ালা সব সময় সঠিক বিচারটিই করেন এবং করবেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx
bn_BDBengali