The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

রান্নাঘর সতেজ রাখতে যা করবেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ রান্না ঘরে অনেক সময় স্যাঁতসেঁতে ভাব তৈরি হয়। এক কথায় বলা যায় রান্নাঘর হচ্ছে বাসার প্রাণকেন্দ্র। বাসার সকলের সুস্থ থাকার পেছনে এই রান্নাঘরই মূখ্য। আজ জেনে নিন এই রান্নাঘর সতেজ রাখতে যা আপনাকে করতে হবে।

আপনার রান্নাঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা খুব জরুরি একটি কাজ। রান্নাঘরের সঠিক স্বাস্থ্যবিধি, নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুতি ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি সবার আগে আপনাকে জানতে হবে।

আপনার রান্নাঘরের স্বাস্থ্যবিধি কেমন হওয়া উচিত তা জেনে রাখা ভালো। রান্নাঘরের কোন কোন জায়গায় জীবাণু থাকতে পারে সেটিও জেনে রাখা দরকার। আজ রান্নাঘর পরিষ্কার রাখার প্রয়োজনীয় কিছু টিপস দেওয়া হলো।

কাপড়ের টুকরো

আপনার রান্নাঘর পরিষ্কার করার কাপড়ের টুকরা বা স্পঞ্জ যদি স্যাঁতসেঁতে হয়ে যায়, তাহলে সেটি থেকে দ্রুত ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে থাকে। এই ধরনের কাপড়ের টুকরা বা স্পঞ্জ যখন রান্নাঘর পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহার করবেন তখন তার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া রান্নাঘরের অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এই ধরনের কাপড়ের টুকরা পুনরায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে উন্নতমানের অ্যান্টিসেপটিক লিকুইডে ভিজিয়ে নিয়ে তবেই ব্যবহার করতে হবে।

খাবার রাখার স্থান পরিষ্কার করা

সাধারণত মাংস, সালাদ আইটেম, ফল ও সবজি ইত্যাদি থেকে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কাঁচা ও খাওয়ার জন্য তৈরি খাদ্য অবশ্যই পৃথক রাখতে হবে। এক্ষেত্রে পৃথক চপিং বোর্ড থাকলে আরও ভালো হয়। কাটাকাটির কাজ শেষ হয়ে গেলেই সিঙ্ক ও কাটিং, চপিং বোর্ডের উপরিভাগ ভালোভাবে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে। সেই সঙ্গে আপনার হাতও সব সময় পরিষ্কার করতে হবে।

সিঙ্ক জীবাণুমুক্ত রাখা

সিঙ্ক রান্নাঘরের একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। খাবার প্রস্তুত করার আগে ধোয়ার জন্য কাঁচা খাবারগুলো সিঙ্কে রাখা হয়। যে কারণে সিঙ্ক থেকে ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে। তাই খাবার প্রস্তুতের পূর্বে অবশ্যই সিঙ্ক পরিষ্কার করে নিতে হবে। এছাড়াও সিঙ্ক পরিষ্কার করার জন্য কাপড়ের টুকরা থেকেও ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে। তাই সিঙ্কের উপরিভাগ ও পার্শ্ববর্তী জায়গাগুলো আপনাকে জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

আবর্জনার পাত্র পরিষ্কার রাখা

জীবাণু ছড়ানোর আরেকটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে আবর্জনার পাত্র। আবর্জনার পাত্র সব সময় অবশ্যই ঢেকে রাখতে হবে এবং পোষা প্রাণী কিংবা কীট যেনো সেটি থেকে ময়লা ছড়াতে না পারে সেদিকে খেয়ালও রাখতে হবে। আবর্জনার পাত্র খালি, পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে। সেইসঙ্গে এটির হাতা ও ঢাকনাও নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। আজকাল ঢাকনাওয়ালা বিন কিনতে পাওয়া যায় সেগুলো ব্যবহার করুন।

হাত ধোওয়া

জীবাণু ছড়ানোর ক্ষেত্রে আপনার হাত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সে কারণে যখন রান্নাঘরে কাজ করবেন তখন কাজের আগে-পরে লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। আবার খাওয়ার আগে-পরেও আপনাকে হাত ধুতে হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx