The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

কোলেস্টেরল বাড়ছে সেটি বুঝবেন কীভাবে?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বার বার মলত্যাগের বেগ আসতে পারে, বা মলের সঙ্গে রক্তপাতও হতে পারে। এমন হলে অবশ্য তা কোলেস্টেরলের লক্ষণও হতে পারে।

কোলেস্টেরল বাড়ছে সেটি বুঝবেন কীভাবে? 1

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন কিংবা খাওয়া-দাওয়ায় অনিয়মের কারণে যেসব অসুখ সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ফেলে, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া তাদের মধ্যে আবার অন্যতম। এমনিতেও আপনার এমন সমস্যা রয়েছে কি না, তা বুঝতে গেলে রক্ত পরীক্ষা করানোই উত্তম পন্থা। তবে চিকিৎসকদের মতে, এই অসুখের প্রবণতা আপনার রয়েছে কি না, বা ইতিমধ্যেই আপনার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েও গিয়েছে কি না, তা বুঝতে সব সময় রক্তপরীক্ষা পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন হবে না। রক্তে বেশি কোলেস্টেরল এলেই শারীরিক নানা ধরনের সমস্যা শুরু হতে পারে। এর প্রভাব শরীরের বহিরঙ্গেও দেখা দিতে পারে। তাই একটু সচেতন হলেই বুঝে যাওয়া যাবে, আপনার শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ছে কি না।

রক্তে ফ্যাটের মাত্রা বেড়ে গেলেই কোলেস্টেরলের সমস্যা শুরু হয়! যে কারণে ধমনীর দেওয়ালগুলোতে মেদ জমতে শুরু করে। ধীরে ধীরে সরু হতে শুরু করে ধমনীগুলোও, ব্যাহত হয় রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা। ধমনী সরু হয়ে গেলে পাকস্থলী, প্লীহা এবং যকৃতেও তখন ঠিক মতো রক্ত সঞ্চালন হয় না। অন্ত্রে রক্ত সরবরাহকারী নালিগুলোর পথ মেদের কারণে সরু হয়ে অন্ত্রে পেরিফেরাল আর্টারি ডিসি়জ় সৃষ্টি হতে পারে। দেহের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত ছড়িয়ে পরে ধমনীর মধ্যদিয়ে। কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলেই সেই ধমনীগুলোর ভিতর স্নেহ পদার্থের আস্তরণ তৈরি হয়। যে কারণে রক্ত চলাচলের পথও রুদ্ধ হয়ে আসতে পারে। এটিকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে, ‘প্লাক’ তৈরি হওয়া। এই ধরনের প্লাক তৈরি হলেই দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়। দেহের প্রান্তিক অঙ্গগুলোর ধমনীতে তৈরি হওয়া এই সমস্যাকেই বলে, ‘পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ’ কিংবা ‘পিএডি’। অন্ত্রে এই সমস্যা দেখা দিলে সেই অংশের টিস্যুগুলোরও ক্ষতি হয়ে থাকে। সে কারণে রোগীর বার বার মলত্যাগের বেগ আসে বা মলের সঙ্গে রক্তপাতও হতে পারে। এমনটি কি আপনার সঙ্গেও হচ্ছে? তাহলে বলতে হবে, এটি কোলেস্টেরলের লক্ষণও হতে পারে।

আর কী কী লক্ষণ দেখলে আপনি সচেতন হবেন?

# চোখের নীচে কিংবা চোখের পাতায় সাদাটে বা হলদেটে ব্যথাহীন ফোলা অংশ দেখা দিলেই দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করান। এতে করে চোখের কোনও সমস্যা দেখা না দিলেও এটি রক্তে কোলেস্টেরল থাকার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ বলা যায়।

# কিছুদিন ধরে মাঝে-মধ্যে বুকে ব্যথা হচ্ছে, অথচ ইসিজি রিপোর্টে তেমন কিছু সমস্যা খুঁজেই পাননি? এমন হলেও একবার রক্ত পরীক্ষা করিয়ে দেখে নিতে হবে আপনার রক্তে কোলেস্টেরল প্রবেশ করেছে কি না।

# সাধারণত কোলেস্টেরল জমলে মস্তিষ্কেও রক্ত সঞ্চালন কমে। সে কারণে ঘাড়ে এবং মস্তিষ্কের পিছনের দিকে মাঝে-মধ্যে একটানা ব্যথাও হয়।

# শারীরিক পরিশ্রম করলে কিংবা কোনও উদ্বেগের কারণে হৃদ্‌স্পন্দনের হার বেড়ে যেতে পারে- সেটি হয়তো স্বাভাবিক। তবে কোনও কারণ ছাড়া মাঝে-মধ্যেই কী আপনার হৃদ্‌স্পন্দন বেড়ে যায়? এমনটি হলে সময় নষ্ট না করে রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে।

# আপনি খুব ভালোভাবে লক্ষ করে দেখুন, চোখের মণির চারপাশে ধূসর রঙের কোনও রকম গোল দাগ দেখা যাচ্ছে কি না। তাহলে বুঝবেন, সেটি চোখের সমস্যা নয়, বরং কোলেস্টেরলের কারণেই এমনটি হচ্ছে। তাই দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকার চেষ্টা করি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx