দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দরে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। তবে সম্প্রতি জার্মানির একটি বিমানবন্দরে এমন এক ঘটনা ঘটেছে যা কাস্টমস কর্মকর্তাদেরও বিস্মিত করেছে।
নিয়মিত তল্লাশির সময় একটি সুটকেসের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় শত শত বিরল ও বিষধর ট্যারান্টুলা মাকড়সা। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
কর্মকর্তারা প্রথমে সুটকেসটি স্ক্যান করার সময় অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করেন। পরে সেটি খুলে দেখা যায়, ছোট ছোট প্লাস্টিকের কন্টেইনারে জীবন্ত মাকড়সাগুলো রাখা হয়েছে। এইসব মাকড়সার অনেকগুলোই দক্ষিণ আমেরিকার বিরল প্রজাতির, যেগুলোর আন্তর্জাতিক বাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে।
তদন্তে জানা যায়, প্রাণীগুলোকে অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে এক দেশ থেকে অন্য দেশে নেওয়া হচ্ছিল। বন্যপ্রাণী পাচার বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম লাভজনক অবৈধ ব্যবসা হিসেবে বিবেচিত হয়। বিরল প্রাণী সংগ্রাহক এবং কালোবাজারি ব্যবসায়ীরা এইসব প্রাণীর জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্যারান্টুলা সাধারণত মানুষের ওপর আক্রমণ করে না, তবে কিছু প্রজাতির কামড় অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে। দীর্ঘ যাত্রাপথে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকায় অনেক মাকড়সা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। উদ্ধার হওয়ার পর তাদের বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।
ঘটনাটি শুধু পাচারকারীদের কৌশলই নয়, বরং আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের চ্যালেঞ্জকেও সামনে নিয়ে এসেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিরল প্রাণী রক্ষায় কঠোর আইন থাকলেও পাচারকারীরা নতুন নতুন উপায়ে আইন ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছে।
এই ঘটনাটি প্রমাণ করে, একটি সাধারণ সুটকেসের ভেতরেও লুকিয়ে থাকতে পারে বিস্ময়কর রহস্য। বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সতর্কতার কারণেই শত শত বিরল প্রাণী উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
>>>>>>>>>>>>>>
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
This post was last modified on জুন ৪, ২০২৬ 2:29 pm
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রথম পাকিস্তানি মিউজিক ভিডিও হিসেবে ইউটিউবে ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন)…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ নরওয়ের ওসলোতে যাওয়ার সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে বহনকারী একটি…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মহাকাশে এমন কিছু দৃশ্য রয়েছে, যেগুলো প্রথম দেখায় যেন কোনো…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খৃস্টাব্দ, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভাতের সঙ্গে সামান্য ঘি খাওয়ার প্রচলন দক্ষিণ এশিয়ার বহু পরিবারেই…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ টেকসই অবকাঠামো, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল উৎপাদন চর্চার স্বীকৃতিস্বরূপ…