The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাযজ্ঞ শুরু: ফুটবল বিশ্বে উৎসবের আমেজ

দেখে নিন বিশ্বকাপ ফুটবলের সময়সূচি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ১২ জুন বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য শুরু হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ফিফা বিশ্বকাপের মূল আয়োজন। যদিও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী ম্যাচ ১১ জুন মেক্সিকো সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১২ জুন থেকে পূর্ণমাত্রায় বিশ্বকাপের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়বে।

বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাযজ্ঞ শুরু: ফুটবল বিশ্বে উৎসবের আমেজ 1

এবারের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর, যেখানে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দেশ অংশ নিচ্ছে এবং মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে তিনটি দেশ- মেক্সিকো, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র। ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম তিনটি দেশ একসঙ্গে বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। ১৬টি ভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হবে এই আসরের ম্যাচগুলো, যা বিশ্বকাপকে আরও বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো দলের সংখ্যা বৃদ্ধি। পূর্বে যেখানে ৩২টি দল অংশ নিত, সেখানে এবার অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল। ফলে নতুন নতুন দেশের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং বিশ্ব ফুটবলের বিস্তার আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী গ্রুপপর্ব শেষে আরও বেশি দল নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।

দেখে নিন বিশ্বকাপ ফুটবলের সময়সূচি

বিশ্বকাপকে ঘিরে আয়োজক দেশগুলোতে ইতোমধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্টেডিয়ামগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তিতে সাজানো হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দর্শকদের জন্য উন্নত পরিবহন, ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন রাখা হয়েছে। আয়োজকরা আশা করছেন, এটি হবে ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় বিশ্বকাপ।

ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি থাকবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা-এর দিকে। একই সঙ্গে শক্তিশালী দল ব্রাজিল, ফ্রান্স, জার্মানি, ইংল্যান্ড এবং স্পেন-এর পারফরম্যান্স নিয়েও থাকবে ব্যাপক আগ্রহ। তরুণ ও অভিজ্ঞ ফুটবলারদের সমন্বয়ে প্রতিটি দলই শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে।

বিশ্বকাপ শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি বিশ্বব্যাপী সংস্কৃতি, আবেগ ও ঐক্যের এক মহামিলন। কোটি কোটি দর্শক টেলিভিশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন ফ্যান জোনে বসে নিজেদের প্রিয় দলকে সমর্থন জানাবেন। ফুটবলের এই মহোৎসব আগামী এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ববাসীকে আনন্দ, উত্তেজনা ও নাটকীয় মুহূর্ত উপহার দেবে।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ নতুন ফরম্যাট, নতুন আয়োজন এবং নতুন সম্ভাবনার এক অনন্য অধ্যায় হয়ে উঠতে যাচ্ছে। ফুটবলপ্রেমীরা এখন অপেক্ষায় রয়েছেন সেই মুহূর্তগুলোর জন্য, যখন বিশ্বের সেরা দলগুলো মাঠে নেমে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবে। বিশ্বকাপের বাঁশি বেজে গেছে, এখন শুরু ফুটবলের সবচেয়ে বড় উৎসব।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali