The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিসিএস পরীক্ষার পরিবর্তন আসছে!

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস(বিসিএস) এর পরীক্ষায় নতুন ধরনের পরিবর্তন আনছে পাবলিক সার্ভিস কমিশন। আগামীতে অনুষ্ঠিতব্য ৩৫তম প্রিলিমিনারীর পরীক্ষার মাধ্যমেই এই নতুন ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হতে পারে।


PSC+Building

পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বরাত দিয়ে জানা যায় ১৭৮৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে সরকারি কর্মকমিশন ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। অতিশীঘ্রই তা বিজ্ঞপ্তির আকারে প্রকাশিত হবে। নতুন ব্যবস্থায় প্রিলিমিনারী পরীক্ষা হবে ৩০০ নম্বরের যা পুর্বে ১০০ নম্বরের ছিল। ৩০০ নাম্বারের এই পরীক্ষায় সময় থাকবে তিনঘণ্টা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের তথ্যমতে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষার মাধমে সুপারিশকৃত ক্যাডারদের নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে। গত রোববার জাতীয় সংসদের এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমত আরা সাদেক এই বিষয় তুলে ধরেন।

এক নজরে বিসিএস পরীক্ষার নতুন নিয়মঃ

নতুন নিয়মানুসারে ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৩০০ নম্বরের জন্য তিনঘণ্টাব্যাপী। পূর্বে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা ১ ঘন্টা ব্যাপী অনুষ্ঠিত হতো। পরবর্তীতে যারা বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করবেন তারা প্রতিটি বিষয়ের প্রথম পত্রের জন্য ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে হবে। সময় পূর্বের মতো তিনঘণ্টাই থাকবে। কিন্তু পূর্বে প্রতিটি বিষয়ের মান ছিল ১০০ নম্বর এবং সময় ছিল তিনঘণ্টা। বর্তমান ব্যবস্থায় নম্বরের মান বৃদ্ধি পেলেও সময় তিনঘণ্টাই রেখেছে পিএসসি। এছাড়াও প্রস্তাবিত নতুন ব্যবস্থায় প্রিলিমিনারী পরীক্ষার ফি ধরা হয়েছে ৭০০ টাকা যা পূর্বে ছিল ৫০০ টাকা। উপজাতিদের জন্য এই ফি ধরা হয়েছে ২৫০ টাকা যা পূর্বে ছিল মাত্র ৫০ টাকা। বর্তমান নতুন ব্যবস্থায় মৌখিক পরীক্ষার সর্বনিম্ন মান ধরা হয়েছে ৫০ শতাংশ পূর্বে যা ছিল ৪০ শতাংশ।

কর্মকমিশনের নতুন এই ব্যবস্থার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, নতুন প্রস্তাবটি নিয়ে তারা কাজ করছেন। এটি যাচাই বাছাইয়ের পর মন্ত্রীপরিষদের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে সেখান থেকে এটি যাবে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির জন্য, এরপর রাষ্ট্রপতির স্বীকৃতিক্রমে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর কর্মকমিশন নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি আকারে জারি করবে”।

কর্মকমিশন এর পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন আনয়ন করলেও এর কোটাপদ্ধতির পরিবর্তনের বিষয়ে কোন সুপারিশ করেনি। ফলে পূর্বোক্ত কোটাপদ্ধতি নতুন ব্যবস্থায় বহাল থাকবে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...