বরিশালে গুঠিয়া জামে মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। আজ শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৫ খৃস্টাব্দ, ১ কার্তিক ১৪২২ বঙ্গাব্দ, ২ মহররম ১৪৩৭ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

Guthiya Jama Masjid

যে ছবিটি দেখছেন সেটি বরিশালের গুঠিয়া জামে মসজিদ। বড়ই চমৎকার এই মসজিদটি। দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি যে কারও হৃদয়কে নাড়া দেবে।

বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কে উজিরপুর উপজেলায় গুঠিয়ার চাংগুরিয়া গ্রাম। এই গ্রামেই রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ এই গুঠিয়া জামে মসজিদটি।

২০০৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর উজিরপুরের গুঠিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা শিক্ষানুরাগী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এস. সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু চাংগুরিয়ার নিজ বাড়ির সামনেই প্রায় ১৪ একর জমির উপর স্থাপন করেন গুঠিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ-ঈদগাহ্ কমপ্লেক্স এর নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করেন। নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেন এস. সরফুদ্দিনের ছোট ভাই মোঃ আমিনুল ইসলাম নিপু।

২০০৬ সালে উক্ত জামে মসজিদ- ঈদগাহ্ কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। নির্মাণাধীন সময়কালের মধ্যে একটি বৃহৎ মসজিদ-মিনার, ২০ হাজার অধিক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ঈদগাহ্ ময়দান, এতিমখানা, একটি ডাকবাংলো নির্মাণ, গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা, লেক-পুকুর খনন কাজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন, ফুল বাগান তৈরি এবং লাইটিং ব্যবস্থা সম্পন্ন করেন।

জানা যায়, ওই নির্মাণ কাজে প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার নির্মাণ শ্রমিক কাজ করেছে। পরে গুঠিয়ার নামেই মসজিদটি পরিচিতি লাভ করে। এস সরফুদ্দিন আহমেদ এটির নির্মাণ ব্যয় বহন করেন। কমপ্লেক্সের মূল প্রবেশপথের ডানে বড় একটি পুকুর। পুকুরের পশ্চিম দিকে মসজিদ। এই মসজিদ লাগোয়া মিনারটির উচ্চতা ১৯৩ ফুট। ধারণা করা হয়, এটিই বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন সুন্দর মসজিদের একটি।

তথ্য: http://annobarisal.blogspot.com এর সৌজন্যে। ছবির জন্য কামাল উদ্দিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...