ইচ্ছে করলে স্বর্ণের টয়লেটে মলত্যাগ করতে পারবেন!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মলত্যাগের জন্য কতোরকম পরিবেশ তৈরি করা হয় আধুনিক এই যুগে। এবার আরেক ধাপ এগিয়ে বানানো হয়েছে স্বর্ণের টয়লেট। ইচ্ছে করলে আপনিও স্বর্ণের টয়লেটে মলত্যাগ করতে পারবেন!

Gold allows toilet to defecate

সংবাদ মাধ্যমে এমন একটি খবর চমক সৃষ্টি করেছে। নিউইয়র্কের গগেনহেম জাদুঘরে শীঘ্রই স্থান পেতে চলেছে খাঁটি সোনার একটি টয়লেট। যাদু ঘরের কথা শুনে ভাবছেন শুধু দেখার জন্য, তা কিন্তু নয়। সোনার এই টয়লেটটি ব্যবহারের সুযোগও থাকবে! তবে শর্ত থাকবে, এটি ব্যবহারের সময় নিরাপত্তারক্ষীরা খুব কাছেই থাকবেন!

জানা গেছে, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের এই টয়লেটটি বানিয়েছেন ইতালীয় শিল্পী মরিজিও ক্যাতেলান। তিনি টয়লেটটির নাম দিয়েছেন ‘আমেরিকা’।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আগামী ৪ মে গগেনহেম-এর পাবলিক বাথরুমগুলোর একটিতে এই সোনার টয়লেটটি বসানো হবে। জাদুঘরে ঢুকলে যে কেও এটি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। জাদুঘরে বর্তমানকার সিরামিকের টয়লেটের যেকোনও একটিকে পাল্টিয়ে এটি বসানো হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এটি এমন একটি কক্ষে বসানো হবে যেখানে নারী-পুরুষ যে কারোই যাওয়ার সুযোগ থাকবে!

আপনি চাইলে এই স্বর্ণের টয়লেটটি ব্যবহার করতে পারবেন আবার শুধুমাত্র দর্শণার্থী হিসেবে দেখেও আসতে পারবেন।

গগেনহেম-এর পাবলিসিস্ট মলি স্টুয়ার্ট বলেছেন, তার মতে এই প্রথম কোনও জাদুঘরে টয়লেট একটি প্রদর্শনীর বস্তু হচ্ছে।

ক্যাতেলানের মতে, এটি আসলে অর্থনৈতিক অসমতার প্রতিপাদ্যেই মূলত তৈরি করা হয়েছে। তবে এটির অর্থ দর্শণার্থীরা যে যার নিজের মতো করেই নেবেন।

এই টয়লেটের ভেতর একজন সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাকর্মী অবস্থান করছেন। এটির কোনও বিনষ্ট যাতে না হয় তা নিশ্চিত করাই হবে তার দায়িত্ব।

এই স্বর্ণের টয়লেটটি বানাতে কতো টাকা খরচ হয়েছে তা এখনও জানানো হয়নি। তবে এটি যখন প্রদর্শনীতে রাখা হবে তখন এর মূল্য টানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, অনেকেই ক্যাতেলানের এই শিল্পকর্মটিকে ১৯১৭ সালে মার্সেল দ্যুশাম্প-এর ‘ফাউন্টেইন’ নামের প্রশ্রাবখানার ভাস্কর্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন। নিউইয়র্ক আর্ট এক্সিবিশনে সেই শিল্পকর্মটি স্থান পায়নি। তবে বিংশ শতকের সেরা শিল্পকর্ম হিসেবে এখনও ‘ফাউন্টেইন’কেই মনে করা হয়ে থাকে। এটিও হয়তো এভাবেই বিখ্যাত হবে!

Advertisements
Loading...