The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

পাহাড়ে বন্যপ্রাণী শিকারের জঘণ্য কাহিনী

ফাঁদ পেতে ধরা মায়া হরিণের দিকে তাকালে যে কারও হৃদয়কে নাড়া দেবে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ফাঁদ পেতে ধরা মায়া হরিণের দিকে তাকালে যে কারও হৃদয়কে নাড়া দেবে। অথচ পাহাড়ে প্রতিনিয়ত বন্যপ্রাণী শিকারের এমন জঘণ্যতম ঘটনা ঘটছে!

পাহাড়ে বন্যপ্রাণী শিকারের জঘণ্য কাহিনী 1

সংবাদ মাধ্যমের এমন একটি খবর বিবেকবান মানুষকে নাড়া দেয়। ঘটনাটি এমন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ নামে এক ব্যক্তি গিয়েছিলেন থানচি উপজেলার রেমাক্রি বাজারে। খেতে গিয়ে দেখেন নদীর ঘাট ঘেঁষে গড়ে ওঠা হোটেলগুলোতে বাঁশের কঞ্চিতে গাঁথা শুকানো টুকরো মাংস ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। প্রতিটি টুকরা মাংসের দাম ৩০ টাকা।

মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেছেন, ‘আমরা নাফাখুম পর্যন্ত গিয়েছিলাম। তিন্দু হতে শুরু করে রেমাক্রি এবং নাফাখুমের পূর্বে অন্তত ১০টি জায়গায় হরিণের মাংস বিক্রি করতে দেখেছি। মূলত এসব এলাকায় পর্যটকদের জন্যই বনের পশু হত্যার এমন জঘণ্যতম মহোৎসব চলছে।’

বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবানের পাহাড়ি বাসিন্দাদের জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বন্যপ্রাণী শিকার। দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা, প্রতিকূল পরিবেশে আমিষের কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকার কারণে শিকারই তাদের খাদ্য সংস্থানের একটি অন্যতম উপায়ে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। নির্বিচারে গাছ কাটা, বিশেষ করে অপরিকল্পিত জুমের কারণে জঙ্গলগুলো পুড়িয়ে ফেলা, শিকার ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে কমছে বন্যপ্রাণীর সংখ্যাও।

মূলত আদিবাসীদের জুম চাষচক্রের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শিকারের প্রথা। বছরের প্রথমে জানুয়ারি হতে এপ্রিলের মধ্যে জুমিয়ারা চাষের জন্য পাহাড়ের আগাছা হতে শুরু করে গাছ-গাছড়া পরিষ্কার করতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মে মাসে বৃষ্টি শুরু হতেই ফসলের বীজ বোনা শুরু হয়। পুরো বর্ষা মৌসুম ধরে চলে এর পরিচর্যা। এই সময় জুমিয়ারা পরিবারসহ পাহাড়ের ঢালে জুম ঘরে চলে আসেন।

তখন ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে শিকারের আয়োজন চলে। বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের শিকারের জন্য রয়েছে বিশেষ বিশেষ পদ্ধতিও। যেমন: মুরং সম্প্রদায়ের ডং, খগলাং, প্রিচেক পদ্ধতি এখানে উল্লেখযোগ্য।

মূলত জুম ক্ষেতে আসা হরিণ, শূকরসহ বিভিন্ন ধরনের পশু-পাখি ধরা পড়ে। তবে শিকারের মূল মৌসুম শুরু হয় শীতকালে ফসল তোলা শেষে। এই সময় ব্যাপকভাবে মায়া হরিণ শিকার করা হয়ে থাকে।

আদিম পদ্ধতি ছাড়াও নিজেদের তৈরি গাদা বন্দুক দিয়ে শিকার করে পার্বত্য চট্টগ্রামের ওইসব অঞ্চলের মানুষরা। অনুসন্ধানে পাওয়া যায় যে, এসব বন্দুক তৈরির কারিগররা চাহিদা অনুযায়ী বন্দুক তৈরি করে সরবরাহ করে থাকে। খরচ পড়ে মাত্র হাজার খানেক টাকার মতো। এসব বন্দুকের জন্য ব্যবহৃত বারুদের সাপ্লাই আসে সাতকানিয়া, লোহাগড়ার ম্যাচ ফ্যাক্টরি হতে। স্থানীয়ভাবে তৈরি বন্দুক ছাড়াও মায়ানমারের তৈরি এয়ারগানের চোরা বাজার রয়েছে এই রুমা-থানচিতে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবানের গহীনে ২৮টি পাড়ায় গবেষণা চালিয়েছে বেসরকারি সংস্থা ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্স। তারা বলছে, প্রত্যেকটি পরিবার বছরে গড়ে ৩ কেজি বন্যপ্রাণীর মাংস আহার করে। মূলত আমিষের বিকল্প কোনো কিছু না থাকার কারণেই এখনও শিকার পুরোপুরি ছাড়তে পারেনি পাহাড়িরা। শুধু বন্যপ্রাণীই নয় ঝিরি, পাহাড়ি খালে থাকা কাঁকড়া এবং কচ্ছপ তাদের অন্যতম খাদ্য। তবে বন্যপ্রাণী শিকারের মহোৎসব থামছে না কিছুতেই।

এভাবেই পাহাড়ে দিনের পর চলছে বন্যপ্রাণী শিকারের জঘণ্যতম ঘটনা। বিলীন হচ্ছে আমাদের দেশের প্রাণীসম্পদ। কিন্তু আর কতোদিন চলবে এভাবে?

প্রত্যন্ত বিভিন্ন গ্রামের মানুষের সঙ্গে নিয়মিত সচেতনতামূলক বৈঠক করার মাধ্যমে শিকার বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।

এতো ঘটনার পরও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) এর বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় থাকা অনেক প্রজাতি এখনও টিকে রয়েছে দেশের পার্বত্য অঞ্চলে। শিকার বন্ধ না করা গেলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে প্রাণহীন হয়ে পড়বে আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের সবুজ অরণ্য। সেটি কখনও কারও কাম্য হতে পারে না।

তথ্য: http://www.banglanews24.com এর সৌজন্যে।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx