The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এমন এক মন্দির যেখানে সন্ধ্যার পর মানুষ হয়ে যায় পাথর!

এই আজব মন্দিরটি অবস্থিত ভারতের রাজস্থানে। মাটিতে বহু রহস্য লুকিয়ে রয়েছে এই স্থানে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সত্যিই এক আজব মন্দিরের কাহিনী রয়েছে আজ। যে মন্দিরে কোনো মানুষ সন্ধ্যার পর গেলে পাথর হয়ে যায়!

এমন এক মন্দির যেখানে সন্ধ্যার পর মানুষ হয়ে যায় পাথর! 1

এই আজব মন্দিরটি অবস্থিত ভারতের রাজস্থানে। মাটিতে বহু রহস্য লুকিয়ে রয়েছে এই স্থানে। রাজস্থানের কুলধারা গ্রাম ও ভানগড় ফোর্ট এমনই এক রহস্যময় স্থান। যেটি প্রকৃতপক্ষে বিশ্বের এক ভুতুড়ে স্থান নামে পরিচিত। কুলধারা গ্রাম ও ভানগড় ফোর্ট ছাড়া আরেকটি রহস্যময় স্থান রয়েছে বারমের জেলাতে। আর সে মন্দিরটির নাম হলো কিরাডু মন্দির।

রাজস্থানে খাজুরাহো মন্দির নামে পরিচিত এই মন্দিরটি মূলত প্রেমিকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে থাকে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো এখানে এমন একটি ভয়ানক বিষয় রয়েছে যা জানার পর সাধারণ মানুষ রাতে এখানে থাকার সাহসও করবে না।

আর সেই বিষয়টি হলো সন্ধ্যার পর যদি কেও এই কিরাডুর মন্দিরে যায় বা থাকে তাহলে সে পাথর হয়ে যায় কিংবা তার মৃত্যু হয়! কিরাডুর এই গল্পটি বহু বছর ধরে প্রচলিত রয়েছে। পাথর হয়ে যাওয়ার ভয়ে সন্ধ্যার পর এখানে কেও থাকতে সাহস করে না।

প্রচলিত কাহিনী হলো: একটি মহিলার পাথর মূর্তি, যা রয়েছে কিরাডু হতে দূরে অবস্থিত সিহণী গ্রামে। বহু বছর পূর্বে কিরাডুতে এক সন্ন্যাসী আসেন। একদিন তিনি তার শিষ্যদের গ্রামে ছেড়ে দিয়ে চলে যান। এরই মধ্যে শিষ্যদের শরীর খারাপ হতে শুরু করে। তবে গ্রামবাসীরা তাদের কোনও রকম সাহায্য করেনি। শিষ্যদের এই দুর্দশা দেখে সন্ন্যাসী তাদেরকে অভিশাপ দেন।

জানা যায়, এই সময় সন্ন্যাসী বলেন, যেখানের লোকের হৃদয় পাষাণের মতো, তাদের মানুষের রূপে থাকা মোটেও উচিত নয়। তাদের সকলের পাথর হয়ে যাওয়া দরকার। এক মহিলা নাকি শিষ্যদের সাহায্য করেছিলেন, সেজন্য সন্ন্যাসী তার ওপর দয়া করেন ও তাকে বলেন, সে যেনো সেখান থেকে চলে যায়, তা নাহলে সেও পাথরের হয়ে যাবে। তবে মনে রাখবে যাবার সময় পেছনে ফিরে তাকাবে না। তবে গ্রামে যাওয়ার সময় তার মনে সন্দেহ হয় সন্ন্যাসীর কথা সত্য নাকি মিথ্যা। তাই সন্ন্যাসীর কথা সত্য না মিথ্যা তা প্রমাণ করার জন্য সে পেছনে ফিরে তাকাতে থাককে আর তাই শেষে সেও পাথর হয়ে যায়। যদিও এগুলো সবই প্রচলিত ধ্যান ধারণা। তবে তারপর থেকে নাকি আর কেও এখানে সন্ধ্যার পর যাওয়ার সাহস করে না।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...