The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

নিউইয়র্ক সিটিতে নাকি মানুষ ও ইঁদুরের সংখ্যা সমান!

এমন ঘটনা যে কারও কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হলেও ঘটনাটি সত্য

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এমন কথা শুনে যে কেও আশ্চর্য হবেন সেটিই স্বাভাবিক। বিশ্বের একটি খ্যাতিমান রাষ্ট্র এবং সেই রাষ্ট্রের আবার মূল সিটি সেখানে নাকি মানুষ ও ইঁদুরের সংখ্যা সমানে সমান!

নিউইয়র্ক সিটিতে নাকি মানুষ ও ইঁদুরের সংখ্যা সমান! 1

এমন ঘটনা যে কারও কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হলেও ঘটনাটি সত্য। নিউইয়র্ক সিটিতে ইঁদুর ও মানুষের সংখ্যা নাকি সমান। এই সংখ্যা হলো ৮০ লাখ। ম্যানহাটানের ব্যস্ততম সাবওয়েতেও এইসব ইঁদুরের ওৎপাত নজরে আসে।

গার্বেজ ক্যানের ভেতরে স্বল্প সময়েই ইঁদুর বাসা বাঁধছে আবার বাচ্চা দিচ্ছে। সিটির অধিকাংশ পুরনো ভবনেই ইঁদুরের অস্তিত্ব পাওয়া যাবে। কিছু কিছু ইঁদুরের আকৃতি বিড়ালের মতোই।

সিটির স্বাস্থ্যকর্মীরাও প্রতিনিয়ত ইঁদুর আবিস্কার করছেন বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে। এক কথায় বহুজাতিক এই সিটির অধিবাসীদের জীবন অতীষ্ঠ করে তুলছে এইসব ইঁদুররা। সম্প্রতি ছারপোকার বিরুদ্ধে সিটি প্রশাসন যুদ্ধ ঘোষণা করে। ইঁদুর নিধনের জন্যে বিশেষ একটি প্রকল্পে ৩২ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের কথা বলেছেন স্থানীয় সিটি মেয়র বিল ডি ব্লাসিয়ো।

জানা গেছে, নিউইয়র্ক সিটির হটলাইনে নাগরিকরা ইঁদুরের ব্যাপারে ২০১৫ সালে ১৭ হাজার ২০০টি অভিযোগ প্রেরণ করেছেন। এর আগের বছর এ সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ৬০০টি। কিছু কিছু স্থানে ইঁদুরের উপদ্রব সবচেয়ে বেশি। সেটি চিহ্নিত করা হয়েছে ওইসব অভিযোগপত্রে।

সিটি মেয়রের সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থিত পাবলিক পার্কে ইঁদুরের বসতি রয়েছে বলেও মেয়র নিজেই প্রকাশ্যে তা স্বীকার করেছেন। ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিল ডি ব্লাসিয়োর কাছে পরাজিত যোসেফ জে লোহটা বলেছেন যে, অন্য যে কোনো সময়ের থেকে বর্তমানে সিটির পার্ক, সাবওয়ে এবং এ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ে ইঁদুরের উৎপাত অনেক বেশি। মেয়র জানিয়েছেন, অন্ততপক্ষে ৭০ ভাগ ইঁদুর মেরে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছে ।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ব্রঙ্কসের গ্র্যান্ড কংকোর্স, ব্রুকলীনের বেডফোর্ড-স্টাইভ্যাসেন্ট ও ডাউন-টাউন ম্যানহাটানে ইঁদুরের উৎপাদন কারখানা হিসেবে অধিক পরিচিত! এসব স্থানকে প্রকল্পের টার্গেট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...