The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সমুদ্রের তলায় অক্টোপাসদের আস্ত ‘শহর’!

রয়েছে বাড়ি-ঘর, রাস্তাঘাট সবকিছুই। যেনো ছবির মতো সাজানো এক শহর

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ পানির তলায় এমন একটি শহর তৈরি করেছে, যা কখনও কল্পনাও করা যায় না। হ্যাঁ ঠিক তাই। সমুদ্রের তলায় অক্টোপাসদের এক আস্ত ‘শহর’!

সমুদ্রের তলায় অক্টোপাসদের আস্ত ‘শহর’! 1

সেই শহরে রয়েছে বাড়ি-ঘর, রাস্তাঘাট সবকিছুই। যেনো ছবির মতো সাজানো এক শহর। তবে এমন একটি শহর তৈরির কৃতিত্ব মানুষের নয়, এই শহর তৈরির কারিগর হলো অক্টোপাসরা।

বিষয়টি শুনতে অনেকটা অবাক মনে হলেও এটিই সত্যি। অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে সমুদ্রের নীচে অক্টোপাসরা তৈরি করেছে এই আস্ত শহর।

শিকাগোর ইলিনয়েস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা পানির তলায় এই লুকিয়ে থাকা আশ্চর্য এই শহরটি আবিষ্কার করেন।বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গ্লুমি অক্টোপাসরাই তৈরি করেছে এই আশ্চর্যজনক শহরটি। এই অক্টোপাসদের বিজ্ঞানসম্মত নাম হলো অক্টোপাস টেট্রিকাস।

প্রথম অক্টোপাসদের তৈরি এমন ‘শহর’-এর দেখা মেলে ২০০৯ সালে। এই বিষয়টি নিয়ে দ্বিতীয়বার এমন ‘শহর’-এর দেখা মিললো। নতুন এই ‘শহর’টি আগের শহরটি থেকে কয়েকশো মিটার দূরে। পানির উপরিতল হতে প্রায় ১০/১৫ মিটার নীচে নতুন এই শহর ‘অক্টলান্টিস’। পুরো ‘শহর’টির দৈর্ঘ্য ১৮ মিটার ও প্রস্থে ৪ মিটার।

সমুদ্রের তলায় অক্টোপাসদের আস্ত ‘শহর’! 2

এই গোটা ‘শহর’টি তৈরি করা হয়েছে পাথর, বালি, শিকার করা প্রাণীর দেহাবশেষ দিয়ে। মোট ১৩টি অক্টোপাসের বাস এই ‘শহর’টিতে!

বিজ্ঞানীরা পুরো এলাকাটির উপর নজরদারি চালানোর জন্য ৪টি ক্যামেরা লাগিয়ে টানা ১০ ঘণ্টা রেকর্ডিং করেছিলেন। ‘শহর’টিতে বসবাসকারী অক্টোপাসদের মধ্যে রীতিমতো সামাজিক ব্যবহার লক্ষ্য করেছেন বলে দাবি করেন বিজ্ঞানীরা। সত্যিই এক অবিশ্বাস্য ঘটনা।

Loading...