The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

বিমানবন্দরে ছোটখাটো অপরাধের শাস্তি হবে ‘বই পড়া’!

বড়বড় হয়রানি-ক্রাইমের পাশাপাশি কিছু টুকিটাকি লেভেলের হয়রানিও প্রত্যাহ হয়ে থাকে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মাত্র কদিন আগে আমরা দেখেছিলাম একজন বিচারক একজন অপরাধীকে শাস্তি হিসেবে সুরা আল ইমরান পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আবার একই ধরনের রায় এর ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চলেছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট। বিমানবন্দরে অপরাধের শাস্তি হিসেবে ‘পড়তে হবে বই’!

বিমানবন্দরে ছোটখাটো অপরাধের শাস্তি হবে 'বই পড়া'! 1

এমন একটি ব্যতিক্রমি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে। এই বিষয়ে একাধিক সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিমানবন্দরে কেও অপরাধ করলে তাকে শাস্তি হিসেবে বই পড়তে বাধ্য করা হবে! ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ গ্রহণ করতে চলেছে বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয় হতে। প্রক্রিয়াটি বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। বিষয়টি খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত করা হবে বলে সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটিতে মোট চার শিফ্টে বহু সংখ্যক জনবল কাজ করে। বড়বড় হয়রানি-ক্রাইমের পাশাপাশি কিছু টুকিটাকি লেভেলের হয়রানিও প্রত্যাহ হয়ে থাকে। যেমন ট্রলির বিনিময়ে ৫০/১০০ টাকা গ্রহণ করা, এমন ধরনের কিছু অপরাধ হয়ে থাকে প্রত্যাহ।

এতোদিন এইসব টুকিটাকি অপরাধের জন্য আর্থিক জরিমানা করা হতো। তবে এতেকরে তাদের চাকরিও চলে যেতো। যে কারণে দুই ধরনের সমস্যা ফেস করতে হতো যেমন, এক. লঘু পাপে গুরুদণ্ড হয়ে যেতো ও দুই. নতুন যারা নিয়োগ পান, তারা আবার নতুন উদ্যমে শিক্ষানবিশের ভুমিকায় হয়রানি শুরু করেন।

বিমান বন্দরের কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ জানিয়েছেন, জ্ঞানের চেয়ে শক্তিশালী শাস্তি আর হতে পারে না। অন্ধকার দূর করতে হলে আলোর বিকল্প নেই। এখন থেকে টুকিটাকি অপরাধে ধরা পড়লেই হাতে একটি বই ধরিয়ে দেওয়া হবে। একসপ্তাহ পর বই জমা দিয়ে তাকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এটি তাদের দৃষ্টিতে শাস্তি মনে হতে পারে, তবে আমার দৃষ্টিতে পুরস্কার।

এইসব অপরাধীদের পড়ার জন্য, সব ধরণের বইই থাকবে। তবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থাকবেই। এগুলো প্রথম সেল্ফের প্রথম সারিতে। অভিযুক্ত স্বাধীনভাবে বুকসেল্ফ ঘাটাঘাটি করে বই নির্বাচন করতে পারবে। এতেকরে বাড়তি পাওনা হিসেবে শুরুতেই তার অনেকগুলো বইয়ের নামের সঙ্গে পরিচয় ঘটবে।

ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ আরও বলেছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা খুব একটা কঠিন বইতে যেতে চাইছি না। মজার মজার সহজ উপন্যাসগুলোতেই আমরা জোর দেবো। উদ্দেশ্য হলো, বই পড়ার মজাটা ঢুকিয়ে দেওয়া, জাস্ট সেই নেশার বীজটা বপন করে দেওয়া। দ্বিতীয়বার ধরা পড়ার পর হতে সিলেবাস একটু একটু করে কঠিন হতে থাকবে, বিষয় ও সারমর্ম প্রাধান্য পেতে থাকবে তখন। যাকে বলে একেবারে স্লো পয়জনিং।

ইউসুফ বলেন, পড়া শেষ করে সেই বই ফেরত দেওয়া যাবে না। অভিযুক্তই বইটির মালিক হয়ে যাবেন ও যত্ন করে বাসায় রেখে দেবেন। ছেলেমেয়েসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও বাসায় বই দেখে হয়তো ভবিষ্যতে কখনও না কখনও পড়তে আগ্রহী হবেন। অভিযুক্তই একাই একটি নতুন বই কিনে লাইব্রেরিতে জমা দেবে। পড়াশেষে উপন্যাসের গল্পটি ছোট করে নিজের মতো করে রচনাকরে লিখে আনতে হবে। গল্পটি সে জানে কি না, তা তাকে মৌখিকভাবে কমসময়ের মধ্যে পরীক্ষা করা হবে।

ইউসুফ আরও বলেন, মৌখিক পরীক্ষা নেবো আমি ও আমার কলিগ। বুঝতেই পারছেন, না পড়ে আমাদেরও পরীক্ষক হওয়া যাবে না। কাজেই পাঠক চক্রবৃদ্ধিহারে বাড়বে। পরীক্ষায় ডাব্বা মারলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে? সে প্রশ্নে বলা হয়েছে, ওয়ান-প্লাস রেফার্ড সিস্টেম ব্যবস্থা প্রবর্তন থাকবে। কোনো কথাবার্তা ছাড়াই আগের বইয়ের সঙ্গে নতুন আরেকটা বই ধরিয়ে দিয়ে আবার একসপ্তাহ সময় দেওয়া হবে। এভাবে তার মাথায় বইয়ের সংখ্যা ক্রমেই বাড়তেই থাকবে।

ম্যাজিস্ট্রেট আরও জানান, একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ পড়ে যাচ্ছে। পরিচ্ছন্ন কর্মীসহ অনেকের মধ্যে যদি কেও একেবারেই পড়াশোনা না জানে, বা কেবল স্বাক্ষর সর্বস্ব হয়ে থাকে, তারা পড়বে কিভাবে? এর উত্তর একেবারেই সহজ। তারা পড়বে না, তারা পড়তে পারা শিখবে। তাদের জন্য ‘বাল্যশিক্ষা’ পর্যায়ের বই-পুস্তক রাখা হবে!

এভাবেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দনে কর্তব্যরতদের ছোট ছোট অপরাধের শাস্তির বিধান করা হচ্ছে। যাতে তারা শুধরে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx