The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নাকি বলে দেবে মৃত্যুর সময়’!

স্ট্যান্ডফোর্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক মৃত্যুর দিনক্ষণ বলে দিতে পারে এমন এক কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা নাকি তৈরি করেছেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ কখন মৃত্যু হবে সেটি বলা যায় না। কারণ একমাত্র মহান রাব্বুল আলামিন জানেন কখন কার মৃত্যু হবে। তবে এই মৃত্যু নিয়ে গবেষণার যেনো শেষ নেই। গবেষকরা নানা রকম গবেষণা করে বের করার চেষ্টা করেন মৃত্যুর সময়। এবার এমনই এক খবর হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নাকি বলে দেবে মৃত্যুর সময়!

‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নাকি বলে দেবে মৃত্যুর সময়’! 1

সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে, স্ট্যান্ডফোর্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক মৃত্যুর দিনক্ষণ বলে দিতে পারে এমন এক কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা নাকি তৈরি করেছেন। এই ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শরীরের বিভিন্ন দিক পরীক্ষার মাধ্যমে কবে মৃত্যু হবে তা জানিয়ে দিতে পারবে বলে দাবি করছেন ওই গবেষক দলটি!

জানা যায়, এই ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ সম্পর্কে স্ট্যান্ডফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধি আনন্দ আভাটি জানিয়েছেন, আমরা মূলত মানুষের শরীরের রোগ এবং অন্যান্য ব্যাধি পরীক্ষা করে তবেই তার মৃত্যুর দিনক্ষণ এবং তারিখ নিশ্চিত করতে পারবো। এতে রোগ নির্ণয় সহজ হবে। আবার মৃত্যুর কারণ সহজেই নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

ওই গবেষক আরও জানান, এই ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আরও বেশি জোরালো অবদান রাখবে বলে আমরা মনে করছি।

‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ মৃত্যুর যে দিনক্ষণ বলবে সেটা নাকি ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে মিলে যাবে বলে দাবি করেছেন গবেষণা দলটি। স্ট্যান্ডফোর্ড ইউনিভার্সিটির এই প্রজেক্টটি এখনও পরীক্ষামূলক অবস্থায় রয়েছে বলেও ‍জানিয়েছেন দলটি।

এই বিশেষ পদ্ধতিটি খুব শীঘ্রই বিশ্বের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রয়োগ করার কথাও জানিয়েছেন গবেষক দলটি। এই ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’র মাধ্যমে মানুষ খুব সহজেই মৃত্যুর সময় গণনা করার সুযোগ লাভ করতে পারবেন।

ওই ইউনিভার্সিটিটির গবেষকদের দাবি, তারা ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’র এই মডেলটি প্রায় ৪০ হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষা করেছেন। পরীক্ষা করার পর তাদের মৃত্যুর দিনক্ষণ জানিয়েছিল গবেষক দলটি। পরবর্তীকালে দেখা গেছে যে, সেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কথা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে মিলেও গেছে! তাই এই গবেষক দলটি খুবই আশাবাদি।

Loading...