পৃথিবীর থেকেও ২৭ গুণ বড় গ্রহের সন্ধান!

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর অধীনে আমদাবাদের ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা এই আবিস্কারটি করেছেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ পৃথিবীর থেকেও ২৭ গুণ বড় গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে! নতুন এই আবিষ্কার ঘটলো এক বাঙালির নেতৃত্বে একদল ভারতীয় বিজ্ঞানীর হাত ধরে।

সৌরমণ্ডলের বাইরে আরও একটি গ্রহের খোঁজ পাওয়া গেছে। আর নতুন এই আবিষ্কার ঘটলো এক বাঙালির নেতৃত্বে একদল ভারতীয় বিজ্ঞানীর হাত ধরে। পৃথিবী হতে ৬০০ আলোকবর্ষ দূরের এক তারা বা নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে ওই গ্রহটি। এটি পৃথিবী হতে প্রায় ২৭ গুণ বড়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর অধীনে আমদাবাদের ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা এই আবিস্কারটি করেছেন। এই গবেষণায় নেতৃত্ব দেন বাঙালি বিজ্ঞানী অভিজিৎ চক্রবর্তী। অভিজিৎ জানিয়েছেন, শনির চেয়ে ছোট, অথচ নেপচুনের চেয়েও বড় এমনই একটি ভিনগ্রহের সন্ধান আমরা পেয়েছি। ২৭টি পৃথিবী জুড়লে যতোটা হয়, ঠিক সেই চেহারারই হলো এই গ্রহটি। এর ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসেরও ছয় গুণ।

ছায়াপথের এই সদ্য আবিষ্কৃত তারামণ্ডলটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানার জন্য গবেষণা করছে ইসরো। তবে কিছু কিছু তথ্য ইতিমধ্যেই বিজ্ঞানীদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে। যেমন- আমাদের সূর্য হতে আমাদের পৃথিবীর যে দূরত্ব (৮ আলোকমিনিট), তার ৭ ভাগের এক ভাগ হলো নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটির সঙ্গে তার সূর্যের দূরত্ব (নাম এপিক-২১১৯৪৫২০১)। তার অর্থ হলো, ওই ভিনগ্রহটি তার নক্ষত্রের অনেক বেশি কাছাকাছি রয়েছে। যে কারণে গ্রহটির বছর হয় ১৯.৫ দিনে।

ইতিপূর্বেই বলা হয়েছে, নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটি আমাদের থেকে ৬০০ আলোকবর্ষ দূরে। শূন্য স্থানে আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে থাকে, তাকেই বলা হয় এক আলোকবর্ষ। এইভাবে এক মিনিটে আলো যতোটা যায়, তাকে বলা হয়ে থাকে এক আলোকমিনিট। এই ৬০০ আলোকবর্ষ দূরত্বকে কিলোমিটারে হিসাব করলে দাঁড়ায় প্রায় ১০ লক্ষ কোটি কিলোমিটারের মতো।

Advertisements
Loading...