The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

টাইটানিক-২ সাগরে ভাসবে ২০২২ সালে!

টাইটানিকের আদলে নির্মিতব্য এই জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই হতে সমুদ্রপথে যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটনের উদ্দেশে রওনা হবে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রথম টাইটানিক ডোবার ১১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০২২ সালে সাগরে ভাসবে টাইটানিক-২! হুবহু টাইটানিকের মতোই এই জাহাজটি তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

টাইটানিক-২ সাগরে ভাসবে ২০২২ সালে! 1

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা গেছে, প্রথম টাইটানিক ডোবার ১১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০২২ সালে সাগরে ভাসবে টাইটানিক-২! হুবহু টাইটানিকের মতোই এই জাহাজটি তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ব্লু স্টার লাইনের চেয়ারম্যান ক্লাইভ পালমার বলেন, ১৯১২ সালে প্রথম সমুদ্র যাত্রায় আইসবার্গের ধাক্কায় ডুবে গিয়েছিলো। এবার সেই টাইটানিকের আদলে নির্মিতব্য এই জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই হতে সমুদ্রপথে যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটনের উদ্দেশে রওনা হবে।

আরও জানানো হয়েছে, তারপর সেখান থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হবে। গত মাসে ক্রুজ অ্যারাবিয়া অ্যান্ড আফ্রিকার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সপ্তাহে লন্ডনে এই তথ্য দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান বিলিয়নিয়র ক্লাইভ পালমার।

জানানো হয়েছে, জাহাজটির মালিকানা থাকবে ব্লু স্টার লাইন কোম্পানির এবং তারাই জাহাজটি পরিচালনা করবে। প্রাথমিকভাবে টাইটানিক-২ নির্মাণের জন্য ৫০০ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্পও ঘোষণা করা হয়েছে।

পালমার আরও জানিয়েছেন, হুবহু প্রথম টাইটানিকের মতো করেই এই হাজাজটি নির্মাণ করবে ব্লু স্টার লাইন। প্রথমটিতে যেমন এবং যতোগুলো কেবিন ছিল, এটাতেও তেমনই এবং ততোগুলোই থাকবে। সেইসঙ্গে আরও থাকবে আধুনিক নিরাপত্তা এবং বিলাসবহুল ব্যবস্থাতো থাকছেই। এখন শুধুই দেখার পালা। কারণ খুব স্বাভাবিকভাবেই টাইটানিকের প্রতি মানুষের আগ্রহ একটু বেশিই রয়েছে। টাইটানিক-২ এলে মানুষ হয়তো এতে ভ্রমণের জন্য লাইন লাগাবে- এমনটিই ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, শত বছরের কাহিনী সকলের জানা। টাইটানিক জাহাজটি সেই সময় ডুবে গিয়েছিলো। ১৯১২ সালে বেলফাস্ট হতে রওনা হওয়ার পরই জাহাজের নিম্নবর্তী অংশে আগুন জ্বলা শুরু হয়, সেই আগুনই জাহাজের খোলটিকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিয়েছিলো। ৪ দিন পর সেই আগুন নেভানোও হয়। আগুনের তাপমাত্রা ছিলো অন্তত ১ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। যা জাহাজের খোলটিকে ভঙ্গুর করে দিয়েছিলো। যে কারণে ওই হিমশৈলে ধাক্কা লাগার পরেই ভেঙে দু টুকরো হয়ে যায় জাহাজটি। না হলে ওই হিমশৈলটির ধাক্কায় জাহাজটি ভেঙে যাওয়া খুব সহজ ছিলো না। এরপর আস্তে আস্তে ডুবে যায় বিশাল ওই জাহাজটি। এই জাহাজ নিয়ে সিনেমাও তৈরি হয়েছে। তাই জাহাজটি নিয়ে মানুষের আগ্রহের যেনো শেষ নেই।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx