মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ মানবে না তুরস্ক: এরদোগান

কুর্দি ওয়াইপিজি যোদ্ধাদের সন্ত্রাসী হিসাবেই গণ্য করে থাকে তুরস্ক সরকার

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্প্রতি তুরস্ককে সিরিয়ায় কুর্দি যোদ্ধাদের সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার এই আহ্বানের পর বোল্টনের কথা ‘মেনে নেওয়া যায় না’ বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান।

আল জাজিরার এক খবরে বলা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সম্প্রতি তুরস্ককে সিরিয়ায় কুর্দি যোদ্ধাদের সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার এই আহ্বানের পর বোল্টনের কথা ‘মেনে নেওয়া যায় না’ বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান।

বলা হয়, গত রবিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন এক বক্তব্যে এই আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে তুরস্ক তার আহ্বানে সাড়া দেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।

খবরে বলা হয়, কুর্দি ওয়াইপিজি যোদ্ধাদের সন্ত্রাসী হিসাবেই গণ্য করে থাকে তুরস্ক সরকার। আর তাই গত পরশু (মঙ্গলবার) নিজ দল ‘একে পার্টি’র এমপিদের এরদোয়ান বলেছেন, তুরস্ক বোল্টনের বার্তা’ কোনো মতেই মেনে নিতে পারে না।

এরদোয়ান বলেন, ‘ওয়াইপিজি ও কুর্দিদের অন্যান্য দলগুলো কি জিনিস তা আমেরিকানরা আসলে জানে না। যদি মর্কিন যুক্তরাষ্ট্র কুর্দিদের তাদের ভাই মনে করে থাকে তবে তারা মারাত্মক বিভ্রমের মধ্যেই বসবাস করছেন।’

খবরে বলা হয়, সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাওয়া কুর্দি যোদ্ধাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেতেই তুরস্ক সফর করছেন জন বোল্টন।

বলা হয়, গত সপ্তাহে ইসরাইল ও তুরস্ক সফরকালে জন বোল্টন সিরিয়া হতে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে দুটো শর্ত জুড়ে দেন। জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন সেনারা সিরিয়ায় অবস্থান করবে। তুরস্ককেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র কুর্দি বাহিনীর ওপর হামলা না চালানোর নিশ্চয়তা দিতে হবে।

আল জাজিরার এক খবরে আরও বলা হয়, গত মাসে হঠাৎ করেই সিরিয়া হতে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সেই সময় ‘আইএস পরাজিত হয়েছে’ বলেও দাবি করেন।

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নানা ধরনের বিতর্কে জড়িয়ে পড়ছেন। আবার নিজ দেশেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়ে আসছেন।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...