The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

পৃথিবীর নিকটেই অফুরন্ত এক পানির ভাণ্ডার!

যে পরিমাণে পানি সৌরমণ্ডলে রয়েছে তাতে আমাদের ঘাড়ে কার্যত নি:শ্বাস ফেলা গ্রহাণুদের মধ্যে, যা দিয়ে অলিম্পিকের প্রায় দেড় হতে ৫ লাখ সুইমিং পুল ভরিয়ে দেওয়া সম্ভব!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এবার সৌরমণ্ডলে আমাদের ঘরের কাছেই পানি ও খনিজ পদার্থের অফুরন্ত ভাণ্ডারের খবর দিলেন বিজ্ঞানীরা। এই প্রথমবারের মতো তারা হিসাব কষে দেখালেন, যে পরিমাণে পানি রয়েছে তা দিয়ে অলিম্পিকের প্রায় দেড় হতে ৫ লাখ সুইমিং পুল ভরিয়ে দেওয়া সম্ভব!

পৃথিবীর নিকটেই অফুরন্ত এক পানির ভাণ্ডার! 1

এই প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীরা হিসাব কষে দেখালেন, যে পরিমাণে পানি সৌরমণ্ডলে রয়েছে তাতে আমাদের ঘাড়ে কার্যত নি:শ্বাস ফেলা গ্রহাণুদের মধ্যে, যা দিয়ে অলিম্পিকের প্রায় দেড় হতে ৫ লাখ সুইমিং পুল ভরিয়ে দেওয়া সম্ভব!

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমাদের আশেপাশেই রয়েছে অফুরন্ত পানিতে ভরা এমন একটি দুটি নয়, সর্বাধিক ৮০টি গ্রহাণু। খুব কম হলেও সেই সংখ্যাটা কিছুতেই নেমে যাবে না ২৬-এর নীচে। চাঁদ হতে পানি আনার চেয়ে অনেক সহজে পানি নিয়ে আসা সম্ভব ওইসব গ্রহাণুগুলো হতে।

এই গবেষণাপত্রটির তথ্য বেরিয়েছে আমেরিকান জিওফিজিক্যাল ইউনিয়নের আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘জার্নাল অফ জিওফিজিক্যাল রিসার্চ’-এর ৬ ডিসেম্বর সংখ্যাতে।

গবেষণা এও জানিয়েছে যে, চাঁদের থেকেও সহজে পৌঁছে যাওয়া যাবে, পানি ভরা এমন ৩৫০টি হতে ১ হাজার ৫০টি গ্রহাণু রয়েছে আমাদের খুব কাছাকাছিই। যাদেরকে বলা হয়, ‘নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট’ বা সংক্ষেপে বলা হয় ‘এনইও’।

মূল গবেষক জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স রিসার্চ ল্যাবরেটরির অধ্যাপক অ্যান্ড্রু রিভকিন গবেষণাপত্রে লিখেছেন যে, ওই গ্রহাণুগুলোতে যে পরিমাণে খনিজ পদার্থ রয়েছে তা হতে প্রচুর পরিমাণে পানি বের করে আনা (অর্থাৎ নিষ্কাশন) সম্ভব। সেই খনিজ পদার্থ হতে বের করে আনা যেতে পারে ৪০ হাজার কোটি হতে এক লাখ ২০ হাজার কোটি লিটার পানি!

এই ব্রহ্মাণ্ডে গ্রহাণুদের আদত ঠিকানা মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যে থাকা গ্রহাণুমণ্ডল কিংবা অ্যাস্টারয়েড বেল্টে। ৫০০ কোটি বছর পূর্বে, সৌরমণ্ডলের জন্মের পর এই অঞ্চলেই সৃষ্টি হয় গ্রহাণুদের। সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময় সৌরমণ্ডলের বাইরের প্রান্ত হতে ভিতরে ঢোকার পর এই অঞ্চলেই অনেক ধূমকেতুর মাথা ও বরফের লেজ তৈরি হয়। বিজ্ঞানীদের বড় একটি অংশের বিশ্বাস হলো, পৃথিবীতেও পানি এনেছিল এই গ্রহাণুই। আদিকালে পৃথিবীর সঙ্গে গ্রহাণুদের একের পর এক সংঘর্ষে পানিতে ভরে যায় পৃথিবী।

আরও জানা গেছে, শুধুমাত্র গ্রহাণুমণ্ডলেই নয়, আমাদের পৃথিবীর আশপাশেও রয়েছে এমন প্রচুর গ্রহাণু কিংবা নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট। ১৯ হাজারেরও বেশি এমন গ্রহাণু এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে। কতোটা পানি রয়েছে আমাদের কাছেপিঠে থাকা এইসব গ্রহাণুতে, তা আঁচ করতে ‘বেন্নু’ গ্রহাণুতে আগেই মহাকাশযান ‘ওসিরিস-রেক্স’ পাঠিয়েছে নাসা। সেখান থেকেই খনিজ পদার্থ তুলে নিয়ে আসার কথা নাসার ওই মহাকাশযানের। তার পূর্বেই কাছেপিঠে থাকা গ্রহাণুগুলোতে কতোটা পানি ও খনিজ পদার্থ থাকতে পারে এই প্রথমবারের মতো তার হিসাব কষে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা।

রিভকিন গবেষণাপত্রে আরও লিখেছেন, ওইসব গ্রহাণুগুলোতে রয়েছে লোহাসহ প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ। সেগুলোতে মূলত রয়েছে লোহা ও অন্যান্য খনিজ পদার্থের অক্সাইড যৌগ হিসেবে। তবে গবেষকরা থেমে নেই। তারা তাদের গবেষণা অব্যাহত রেখেছেন। অদূর ভবিষ্যতে আমরা হয়তো আরও নতুন অনেক তথ্য জানতে পারবো।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx